কুমিল্লা জেলার ১৭টি উপজেলা
কুমিল্লা জেলা (আদিনাম কমলাঙ্ক এর অপভ্রংশ, যার অর্থ পদ্মফুলের দীঘি) বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল ও মহানগরী। এটি ঢাকা থেকে ৯৬ কিলোমিটার ও চট্টগ্রাম থেকে ১৪৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। খাদি কাপড় ও রসমালাইয়ের জন্য বিখ্যাত। উপজেলার সংখ্যানুসারে কুমিল্লা বাংলাদেশের একটি “এ” শ্রেণিভুক্ত একটি জেলা।
আয়তন ও অবস্থান
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূ০২´ থেকে ২৪°৪৭´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯২°৩৯´ থেকে ৯১°২২´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ জুড়ে কুমিল্লা জেলার অবস্থান। রাজধানী ঢাকা থেকে এ জেলার দূরত্ব প্রায় ৯৭ কিলোমিটার এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় সদর থেকে প্রায় ১৪৯ কিলোমিটার। কুমিল্লা জেলার মোট আয়তন ৩,০৮৭.৩৩ বর্গ কিলোমিটার (৭,৬২,৮৯৫ একর)। এ জেলার উত্তরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা, মেঘনা নদী ও নারায়ণগঞ্জ জেলা, দক্ষিণে ফেনী জেলা ও নোয়াখালী জেলা, পূর্বে ভারতের ত্রিপুরা, পশ্চিমে চাঁদপুর জেলা, মেঘনা নদী ও মুন্সীগঞ্জ জেলা।
জনসংখ্যা
জনশুমারি ২০২২ এর তথ্য অনুযায়ী কুমিল্লা জেলার মোট জনসংখ্যা ৬২,১২,২১৬ জন। জনসংখ্যার ঘনত্ব ১৯৭৪ জন। সাক্ষরতার হার ৮২.০০%।
ধর্মবিশ্বাস অনুসারে কুমিল্লা জেলার মোট জনসংখ্যার ৯৪.৬২% মুসলিম, ৫.২৬% হিন্দু এবং ০.১২% বৌদ্ধ ও অন্যান্য ধর্মের অনুসারী।
ইতিহাস
কুমিল্লা প্রাচীনকালে সমতট জনপদের অংশ ছিল। ১৭৩৩ সালে বাংলার নবাব সুজাউদ্দিন খান ত্রিপুরা রাজ্য বিজয় করে এর সমতল অংশ সুবাহ বাংলার অন্তর্ভুক্ত করেন। ১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ত্রিপুরা দখল করে। ১৭৬৯ সালে রাজস্ব আদায়ের সুবিধার্থে কোম্পানী একজন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ করে। তখন ঢাকা প্রদেশের অন্তর্গত ছিল কুমিল্লা। কুমিল্লাকে ১৭৭৬ সালে কালেক্টরের অধীন করা হয়। ১৭৯০ সালে কোম্পানী শাসনামলে ত্রিপুরা নামের জেলার সৃষ্টি হয় করা হয়। তৎকালে বর্তমান কুমিল্লা, চাঁদপুর, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও ফেনী জেলা এবং চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ অঞ্চল নিয়ে ত্রিপুরা জেলা গঠন করা হয়। এই জেলার সদর দপ্তর স্থাপিত হয় কুমিল্লায়। ১৮২১ সালে ত্রিপুরা জেলাকে ভাগ করে বর্তমান নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষীপুর ও সন্দ্বীপ নিয়ে ভূলুয়া জেলা গঠিত হয়, যা পরবর্তীতে নোয়াখালী নামকরণ করা হয়। ১৮৩০ সালে ত্রিপুরা জেলায় ময়মনসিংহ জেলা হতে সরাইল, হরিপুর, বেজুরা, দাউদপুর ও সতেরখন্দল পরগনাসমূহ স্থানান্তর করা হয় যা বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অংশ। ১৮৬০ সালে ত্রিপুরা জেলায় ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক ১৮৬০ সালে প্রণীত আইন অনুসারে নাসিরনগর মহকুমা গঠিত হয় যা পরবর্তীতে ১৮৭৫ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমা নাম লাভ করে এবং ১৮৭৮ সালে চাঁদপুর মহকুমা গঠিত হয়। ১৯৬০ সালে সদর দপ্তরের নামানুসারে ত্রিপুরা জেলার নামকরণ করা হয় কুমিল্লা এবং তখন থেকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও কালেক্টর পদটির নামকরণ জেলা প্রশাসক করা হয় এবং সদর মহকুমা প্রশাসনিকভাগে উত্তর ও দক্ষিণে বিভক্ত হয়। ১৯৮৪ সালে কুমিল্লার দু'টি মহকুমা চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৃথক জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। আর বাকি দুই মহকুমা কুমিল্লা সদর উত্তর ও কুমিল্লা সদর দক্ষিন নিয়ে বর্তমান জেলা পুনর্গঠিত করা হয়।
বর্তমান কুমিল্লা জেলা চট্টগ্রাম বিভাগের অধীন একটি জেলা। শুরুর দিকে এটি সমতট জনপদের অন্তর্গত হলেও পরবর্তীকালে এটি ত্রিপুরা রাজ্যের অংশ হয়েছিল। কুমিল্লা নামকরণের অনেকগুলো প্রচলিত মত রয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযাগ্য চৈনিক পরিব্রাজক ওয়াং চোয়াঙ কর্তৃক সমতট রাজ্য পরিভ্রমণের বৃত্তান্ত থেকে। তার বর্ণনায় কিয়া-মল-ঙ্কিয়া নামক যে স্থানের বিবরণ রয়েছে সেটি থেকে কমলাঙ্ক বা কুমিল্লার নামকরণ হয়েছে।
চৈনিক পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙের ভ্রমণবৃত্তান্ত থেকে সমতট রাজ্যের দক্ষিণ-পূর্বদিকে কামলঙ্কা নামক স্থানের বিবরণ রয়েছে সেটি থেকে কমলাঙ্ক বা কুমিল্লার নামকরণ হয়েছে। । এ অঞ্চলে প্রাপ্ত প্রাচীন নিদর্শনাদি থেকে জানা যায় খ্রিষ্টীয় পঞ্চম শতাব্দী থেকে ত্রিপুরা গুপ্ত সম্রাটদের অধিকারভুক্ত ছিল।
মুক্তিযুদ্ধে কুমিল্লা ২ নং সেক্টর এর অন্তর্গত ছিল। ঢাকা এবং ফরিদপুরের কিছু অংশ, নোয়াখালী ও কুমিল্লা নিয়ে গঠিত হয়েছিল ২নং সেক্টর। এ সেক্টরের নেতৃত্ব দেন- মেজর খালেদ মোশাররফ (১০ এপ্রিল ১৯৭১ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৭১) এবং মেজর এ.টি.এম. হায়দার (২২ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২)।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন
বধ্যভূমি- সদর উপজেলার সদর রসুলপুর, বুড়িচং উপজেলার কালিকাপুর, লাকসাম উপজেলার বেলতলীতে বধ্যভূমি আছে। (উত্তর, পুইরা পুল-চান্দিনা উচ্চ বিদ্যালয়ের পূর্ব দিকে, চান্দিনা হাসপাতালের উত্তর-পশ্চিম কোণে, দাউদকান্দি থানার দক্ষিণে সাহাপাড়া ব্রীজ)
গণকবর - ১২টি (ব্রাহ্মণপাড়ার রেললাইন সংলগ্ন হরিমঙ্গল পুকুর পাড়, চান্দিনার কাশিমপুর শ্মশান ঘাট, মহিচাইল বাড়ই পাড়া ও কংগাই বড়বাড়ি, হোমনা ডিগ্রি কলেজের পাশে, বরুড়ার বটতলীর অদূরে নারায়ণপুর, দেবিদ্বার থানা সদর, পশ্চিমগাঁও, লাকসাম বিড়ি ফ্যাক্টরি ও লাকসাম রেলওয়ে জংশন, নাঙ্গলকোটের পরিকোট ও তেজের বাজার, মনোহরগঞ্জের হাসনাবাদ)
স্মৃতিস্তম্ভ - ৪টি।
শিক্ষা-শিল্প-সাহিত্য সংস্কৃতির পাদপীঠ কুমিল্লা প্রাচীন ঐতিহ্য সমৃদ্ধ জেলা হিসেবে এ উপমহাদেশে সুপরিচিত।
রসমালাই নামক বিখ্যাত মিষ্টি কুমিল্লায় তৈরি করা হয়। কুমিল্লার রসমলাই সারাদেশে এক নামে পরিচিত। দুধ, ছানা ও চিনির সমন্বয়ে তৈরি হয় এ মিষ্টান্ন যার প্রচলন কুমিল্লাতেই শুরু হয়। অন্যান্য দুগ্ধজাত দ্রব্যাদি প্রস্তুতের জন্যও কুমিল্লা বিখ্যাত। এছাড়াও কুমিল্লার বিখ্যাত খদ্দর (খাদি) শিল্পের জন্য। ১৯২১ সাল থেকে খদ্দর এ অঞ্চলে প্রচলিত। কুমিল্লার খদ্দর শিল্পগত উৎকর্ষে প্রচুর খ্যাতি লাভ করেছিল। এখান থেকে খদ্দর কাপড় কলকাতা ও বোম্বে পাঠানো হত। বাঁশের বাঁশির জন্য কুমিল্লা বিখ্যাত। কুমিল্লার হোমনার শ্রীমদ্দি গ্রাম উপমহাদেশের বাঁশের বাঁশির জন্য সুবিখ্যাত; শ্রীমদ্দি গ্রামের বাঁশিপাড়ার বাঁশি বর্তমানে দেশ-বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে সগৌরবে। এছাড়াও তাঁত শিল্প, কুটির শিল্প, মৃৎশিল্প ও কারু শিল্প, ময়নামতির শীতল পাটি ইত্যাদি স্ব-স্ব ঐতিহ্যে স্বকীয়তা আজও বজায় রেখেছে।
প্রশাসনিক এলাকাসমূহ
কুমিল্লা জেলা ২৭ ওয়ার্ড বিশিষ্ট ১টি সিটি কর্পোরেশন, ১৮টি উপজেলা, ১৮টি থানা, ৯টি পৌরসভা, ১৯৩টি ইউনিয়ন, ৩,৬৮৭টি গ্রাম ও ১১টি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত।
কুমিল্লা জেলায় মোট ১৮টি উপজেলা রয়েছে। উপজেলাগুলো হল:
শিক্ষা
কুমিল্লা জেলার সাক্ষরতার হার ৮১.৫১%। এ জেলায় রয়েছে:
বিশ্ববিদ্যালয় (সরকারি) - ১টি
বিশ্ববিদ্যালয় (বেসরকারি) - ৪টি
বিশ্ববিদ্যালয় (আর্মি নিয়ন্ত্রিত বেসরকারি) - ১টি
মেডিকেল কলেজ (সরকারি) - ১টি
মেডিকেল কলেজ (বেসরকারি) - ৩টি
মেডিকেল কলেজ (আর্মি নিয়ন্ত্রিত বেসরকারি) - ১টি
সরকারি সার্ভে ইন্সটিটিউট - ১টি
বাণিজ্যিক কলেজ (সরকারি) - ২টি
শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ - ১টি
মেডিকেল এসিসটেন্ট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সরকারি) - ১টি
মেডিকেল এসিসটেন্ট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বেসরকারি) - ১টি
নার্সিং ইনস্টিটিউট (সরকারি)- ১ টি
ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ - ১টি
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য (অটিজম আক্রান্ত শিশু) স্কুল - ১টি (সেনাবাহিনী পরিচালিত প্রয়াস স্কুল কুমিল্লা)
ইংরেজি ভার্শনের স্কুল - ২টি(১টি সেনাবাহিনী পরিচালিত)
ইংরেজি ভার্শনযুক্ত কলেজ - ৩টি (২টি সেনাবাহিনী পরিচালিত)
মাধ্যমিক বিদ্যালয় (সরকারি) - ৯টি
মাধ্যমিক বিদ্যালয় (অন্যান্য) - ৫৮০টি
নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় - ৫৫টি
প্রাথমিক বিদ্যালয় - ১৩৩০টি
ইবতেদায়ী মাদ্রাসা - ৭১টি
পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ( বেসরকারি) - ০৩ টি
যোগাযোগ ব্যবস্থা
কুমিল্লা বিমানবন্দর কুমিল্লা জেলায় আকাশপথে যোগাযোগের মাধ্যম ছিল। বর্তমানে এটির রাডার ব্যবস্থা ছাড়া সবকিছু বন্ধ রয়েছে। ১৯৭৬ সালে শেষ যাত্রীবাহী বিমান উড়েছিল কুমিল্লা বিমানবন্দর থেকে। বর্তমান সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কুমিল্লা বিমানবন্দরকে পুনরায় চালু করার।
ঢাকা, চট্টগ্রাম সহ দেশের বিভিন্ন জেলা শহর থেকে বিভিন্ন এসি/নন-এসি বাস যাতায়াত করে থাকে। বর্তমানে ঢাকা থেকে এশিয়া এয়ারকন, এশিয়া লাইন, এশিয়া এক্সক্লুসিভ,মিয়ামি এয়ারকন,রয়েল কোচ। চট্টগ্রাম থেকে সৌদিয়া, তিশা প্লাটিনাম, প্রান্তিক পরিবহন। সিলেট থেকে রিয়েল কোচ। কক্সবাজার থেকে এশিয়া এয়ারকন, রয়েল কোচ, মিয়ামি এয়ারকন, সৌদিয়া ইত্যাদি বাসগুলো চলাচল করছে। দেশের প্রধান জাতীয় সড়ক ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক কুমিল্লা শহরের উপর দিয়ে গেছে। এছাড়া এ জেলার সাথে সংযুক্ত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর মধ্যে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক, কুমিল্লা-বিবিরবাজার স্থল বন্দর সংযোগ সড়ক, কুমিল্লা-লালমাই-চাঁদপুর-লক্ষ্মীপুর-বেগমগঞ্জ সড়ক, লালমাই-লাকসাম-সোনাইমুড়ি সড়ক উল্লেখযোগ্য।
ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট সহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে রেলযোগেও কুমিল্লা জেলায় যাতায়াত করা যায়। কুমিল্লা রেলওয়ে স্টেশন ও লাকসাম রেলওয়ে স্টেশন এ জেলার প্রধান দুইটি রেলওয়ে স্টেশন। অন্যান্য রেলওয়ে স্টেশনগুলোর মধ্যে রয়েছে নাঙ্গলকোট, গুণবতী, হাসানপুর, নাওটি, সদর রসুলপুর, রাজাপুর, শশীদল, সালদানদী।
কুমিল্লা জেলায় নদীপথেও যোগাযোগ করা যায়। তবে সড়ক ও রেল যোগাযোগ সহজতর হওয়ায় নদীপথে শুধুমাত্র আঞ্চলিক যোগাযোগ হয়ে থাকে। এ জেলার একমাত্র নদীবন্দর দাউদকান্দি বাউশিয়া নদীবন্দর এবং এ জেলায় মোট ৩৪টি ফেরীঘাট রয়েছে।
নদ-নদী
কুমিল্লা জেলার প্রধান নদ-নদীগুলো হলোঃ গোমতী নদী, মেঘনা নদী, কাঁকড়ি-ডাকাতিয়া নদী, ধনাগোদা নদী, ছোট ফেনী নদী, খিরাই নদ, ঘুংঘুর নদী এবং সালদা নদী।
অন্যান্য নদ-নদীগুলো যথাক্রমে বুড়ি নদী, আর্সি-নালিয়া নদী, পুরনো তিতাস নদী এবং পুরনো ডাকাতিয়া।
অর্থনীতি
কুমিল্লা জেলার অর্থনীতি মূলত কৃষিভিত্তিক। এ অঞ্চলের দারিদ্রতার হার ২০.৬%। এই জেলার অর্থনীতি ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছে কৃষির মাধ্যমে। এ জেলার প্রায় ১১.৬% মানুষ ব্যবসার সাথে জড়িত। এখানে ২টি শিল্প নগরী রয়েছে। কুমিল্লায় রয়েছে বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেমস লিমিটেড এর মূল স্থাপনা এবং গ্যাস ফিল্ড।
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
কুমিল্লা জেলায় স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবার জন্য রয়েছে:
মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল - ১টি
সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল - ১টি
কেন্দ্রীয় কারা হাসপাতাল - ১টি
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র - ২১টি
ডায়াবেটিক হাসপাতাল - ২টি
পল্লী স্বাস্থ্য কেন্দ্র - ১৩টি
উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র - ৪৮টি
ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র - ১২৩টি
ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও স্থাপনা
উত্তর তেতাভূমি জমিদার বাড়ি
কুমিল্লা চিড়িয়াখানা ও বোটানিক্যাল গার্ডেন
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ
নজরুল ইন্সটিটিউট, কুমিল্লা
নবাব ফয়জুন্নেসা জমিদার বাড়ি
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি
বীরচন্দ্র গণপাঠাগার ও নগর মিলনায়তন
ভৈরব চন্দ্র সিংহের জমিদার বাড়ি
রাণী ময়নামতি প্রাসাদ ও মন্দির
রূপবান কন্যা (রূপবানী) মুড়া
শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়াম
হোচ্ছাম হায়দার চৌধুরীর জমিদার বাড়ি
জমিদার অতুল কৃষ্ণ রায় চৌধূরী বাড়ি, লাকসাম
শ্রী শ্রী জগন্নাথ বাড়ি লাকসাম
নোয়াপুস্করিনী ভূইয়া বাড়ি জামে মসজিদ
নোয়াপুস্করিনী মুন্সী বাড়ি জামে মসজিদ
কুমিল্লা বেতার কেন্দ্র ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৮ সালের ১৮ জুন রিলে সম্প্রচার শুরু করে।
পরবর্তীতে ১৩ জুন ২০০৯ সালে নিজস্ব অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সম্প্রচার শুরু হয়।

