লক্ষ্মীপুর জেলার ৫টি উপজেলা
লক্ষ্মীপুর জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। মেঘনা নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠা এই জেলাটি মূলত সয়াবিন, নারিকেল এবং সুপারির জন্য বিখ্যাত। এটি বাংলাদেশের একটি বি শ্রেণিভুক্ত জেলা। আয়তনে এটি বাংলাদেশের ৪৬ তম জেলা ও জনসংখ্যায় এটি বাংলাদেশের ৩৬ তম জেলা।
ইতিহাস
লক্ষ্মীপুর নামে সর্বপ্রথম থানা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৬০ সালে। এরপর ১৯৭৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর তৎকালীন ৫নং বাঞ্চানগর ইউনিয়ন লক্ষ্মীপুর পৌরসভায় রূপান্তরিত হয়। পরে এই পৌরসভাটির বিস্তৃতি ঘটে। রায়পুর, রামগঞ্জ, রামগতি ও লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নিয়ে ১৯৭৯ সালের ১৯ জুলাই লক্ষ্মীপুর মহকুমা এবং একই এলাকা নিয়ে ১৯৮৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি গঠিত হয় লক্ষ্মীপুর জেলা।
লক্ষ্মীপুর জেলার নামকরণ নিয়ে কয়েকটি মত প্রচলিত রয়েছে।
লক্ষ্মী, হিন্দু ধর্মানুসারে ধন-সম্পদ ও সৌভাগ্যের দেবী (দুর্গা কন্যা ও বিষ্ণু পত্নী) এবং পুর হল শহর বা নগর। এ হিসাবে লক্ষ্মীপুর এর সাধারণ অর্থ দাঁড়ায় সম্পদ সমৃদ্ধ শহর বা সৌভাগ্যের নগরী। ঐতিহাসিক কৈলাশ চন্দ্র সিংহ রাজমালা বা ত্রিপুরার ইতিহাস লিখতে গিয়ে তৎকালীন নোয়াখালীর পরগণা ও মহালগুলোর নাম উল্লেখ করেছেন। এতে দেখা যায়, বাঞ্ছানগর ও সমসেরাবাদ মৌজার পশ্চিমে লক্ষ্মীপুর নামে একটি মৌজা ছিল। আজকের পশ্চিম লক্ষ্মীপুর মৌজাই তৎকালীন লক্ষ্মীপুর মৌজা।
আবার অন্যমতে, সম্রাট শাহজাহানের পুত্র শাহ সুজা আরাকান পলায়নের সময় ১৬২০ খ্রিষ্টাব্দের ৬ মে ঢাকা ত্যাগ করেন। তিনি ধাপা ও শ্রীপুর হয়ে ৯ মে লক্ষ্মীদাহ পরগনা ত্যাগ করে ভুলুয়া দুর্গের ৮ মাইলের মধ্যে আসেন। ১২ মে ভুলুয়া দুর্গ জয় করতে না পেরে আরাকান চলে যান। সেই লক্ষ্মীদাহ পরগনা থেকে লক্ষ্মীপুর নামকরণ করা হয়েছে বলে কেউ কেউ ধারণ করেন। লক্ষ্মীপুর শহরের পূর্ব পাশে শাহ সুজার নামানুসারে একটি সড়কের নামকরণ করা হয় সুজা বাদশা সড়ক। বিখ্যাত সাংবাদিক ও সাহিত্যিক সানাউল্লাহ নূরী সুজা বাদশা সড়ক নামে একটি ইতিহাস গ্রন্থও রচনা করেছেন।
১৬১৪ খ্রিষ্টাব্দে মগ ও ফিরিঙ্গীদের মিলিত বাহিনী ভুলুয়া, ভবানীগঞ্জ ও ইসলামাবাদ আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। স্যার যদুনাথ সরকার এ সংক্রান্ত বর্ণনায় লিখেছেন, ইসলামাবাদ চাটগাঁ শহর নয়। ভুলুয়ার পশ্চিমে একটি দুর্গ সমৃদ্ধ শহর। ঐতিহাসিক ড. বোরাহ ইসলামাবাদকে লক্ষ্মীপুর বলে ধারণা করেছেন। এভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় যে, তৎকালীন লক্ষ্মীপুর মৌজার অংশ মেঘনা পাড়ের দুর্গ সমৃদ্ধ কামানখোলাই ইসলামাবাদ নামের মগ ও ফিরিঙ্গীদের আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু ছিল।
শ্রী সুরেশ চন্দ্রনাথ মুজমদার রাজপুরুষ যোগীবংশ নামক গবেষণামূলক গ্রন্থে লিখেছেন দালাল বাজারের জমিদার রাজা গৌর কিশোর রায় চৌধুরী ১৭৬৫ খ্রিষ্টাব্দে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী থেকে রাজা উপাধি পেয়েছেন। তার পূর্বপুরুষরা ১৬২৯ থেকে ১৬৫৮ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে দালাল বাজার আসেন। তার বংশের প্রথম পুরুষের নাম লক্ষ্মী নারায়ণ রায় (বৈষ্ণব) এবং রাজা গৌর কিশোরের স্ত্রীর নাম লক্ষ্মী প্রিয়া। অনেক ঐতিহাসিকের মতে, লক্ষ্মী নারায়ণ রায় বা লক্ষ্মী প্রিয়ার নাম অনুসারে লক্ষ্মীপুরের নামকরণ করা হয়।
তবে ১৮৭৬ সনের এক বৃটিশ ম্যাপ অনুসারে দক্ষিণ শাহবাজপুর (ভোলা) এর পূর্বে অবস্থিত জায়গার নাম হল লাখীপুর৷ এই লাখীপুর হতে পরবর্তীতে লক্ষ্মীপুর নামে পরিবর্তিত হয়েছে৷
ত্রয়োদশ শতাব্দীতে লক্ষ্মীপুর ভুলুয়া রাজ্যের অধীন ছিল। মুঘল ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনামলে লক্ষ্মীপুরে একটি সামরিক স্থাপনা ছিল। ষোড়শ থেকে ঊনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত এ এলাকায় প্রচুর পরিমাণে লবণ উৎপন্ন হত এবং বাইরে রপ্তানি হত। লবণের কারণে এখানে লবণ বিপ্লব ঘটে। স্বদেশী আন্দোলনে লক্ষ্মীপুরবাসী স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণ করে। এ সময় মহাত্মা গান্ধী এ অঞ্চল ভ্রমণ করেন। তিনি তখন প্রায়ই কাফিলাতলি আখড়া ও রামগঞ্জের শ্রীরামপুর রাজবাড়ীতে অবস্থান করতেন। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৯২৬ সালের জুন মাসে লক্ষ্মীপুর সফরে আসেন।
১৯৭১ সালের ৬ জুলাই মুক্তিযোদ্ধারা লক্ষ্মীপুর শহরের রহমতখালি সেতুর কাছে অতর্কিত হামলা চালিয়ে ৭২ জন পাকসেনাকে হত্যা করে। ২৫ অক্টোবর সদরের মীরগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা ও পাকসেনাদের এক সম্মুখ লড়াইয়ে পাকবাহিনীর মেজরসহ ৭০ জন সৈন্য ও ৪১ জন রেঞ্জার নিহত হয়। রামগঞ্জ উপজেলার ফতেহপুর দীঘির পাড়ে পাকসেনাদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের এক লড়াই সংঘটিত হয়। এ লড়াইয়ে বহুসংখ্যক পাকসেনা নিহত হয়। পরবর্তীকালে পাকসেনারা ১৪ জন মুক্তিযোদ্ধাকে আটক করে রামগঞ্জ ক্যাম্পে এনে হত্যা করে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রামগতি উপজেলার জমিদার হাটের বাঁকে পাকসেনাদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াইয়ে কয়েকজন রাজাকারসহ ১৭ জন পাকসেনা নিহত হয়।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন
অবস্থান ও সীমানা
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশে ২২°৩০´ থেকে ২৩°১০´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০°৩৮´ থেকে ৯০°০১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ জুড়ে লক্ষ্মীপুর জেলার অবস্থান। রাজধানী ঢাকা থেকে এ জেলার দূরত্ব প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় সদর থেকে প্রায় ১৫৭ কিলোমিটার। এ জেলার উত্তরে চাঁদপুর জেলা, কুমিল্লা জেলা, দক্ষিণে ভোলা জেলা ও নোয়াখালী জেলা, পূর্বে নোয়াখালী জেলা, পশ্চিমে মেঘনা নদী, ভোলা জেলা ও বরিশাল জেলা। লক্ষ্মীপুর শহর রহমতখালি নদীর তীরে অবস্থিত।
আয়তন
লক্ষ্মীপুর জেলার মোট আয়তন ১,৪৫৬ বর্গ কিলোমিটার। বা ৫৬২ বর্গ মাইল, আয়তনে এটি বৃহত্তর নোয়াখালীর দ্বিতীয় বৃহত্তম জেলা।
প্রশাসনিক এলাকাসমূহ
লক্ষ্মীপুর জেলা ৬টি উপজেলা, ৬টি থানা, ৪টি পৌরসভা, ৫৮টি ইউনিয়ন, ৪৪৫টি মৌজা, ৫৩৬টি গ্রাম ও ৪টি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত।
লক্ষ্মীপুর জেলায় মোট ৬টি উপজেলা রয়েছে।
জনসংখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, লক্ষ্মীপুর জেলার মোট জনসংখ্যা ১৯,৩৭,৯৪৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৯,১৩,০৯৯ জন, নারী ১০,২৪,৭৬৩ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের সদস্য ৮৬ জন। জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,৩৪৫ জন। এ জেলার মোট জনসংখ্যার মধ্যে ১৪,৫৫,৪৬৯ জন মানুষ গ্রামাঞ্চলে এবং ৪,৮২,৪৭৯ জন মানুষ শহরাঞ্চলে বসবাস করেন।
ধর্মবিশ্বাস অনুসারে এ জেলার মোট জনসংখ্যার ৯৫.৩১% মুসলিম, ৪.৬৬% হিন্দু এবং ০.০৩% বৌদ্ধ ও অন্যান্য ধর্মের অনুসারী।
শিক্ষা ব্যবস্থা
লক্ষ্মীপুর জেলার সাক্ষরতার হার ৬১.৪০%। এ জেলায় রয়েছে:
কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৪টি
ভোকেশনাল টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ১টি
নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৪টি
যোগাযোগ ব্যবস্থা
লক্ষ্মীপুর জেলায় যোগাযোগের প্রধান সড়ক হল চাঁদপুর-লক্ষ্মীপুর মহাসড়ক এবং কুমিল্লা-লক্ষ্মীপুর মহাসড়ক। সব ধরনের যানবাহনে যোগাযোগ করা যায়। এছাড়া নদী মাতৃক জেলা হওয়ায় নদী পথেও লক্ষ্মীপুরের সাথে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মানুষ ও পণ্য পরিবহন করা হয়।
নদ-নদী
লক্ষ্মীপুর জেলার প্রধান নদীগুলো হল মেঘনা নদী, ডাকাতিয়া নদী, কাটাখালী নদী, রহমতখালি নদী চন্দনা ও ভুলুয়া নদী। ঐতিহাসিক বরেন্দ্র খাল।
পত্র-পত্রিকা
দৈনিক : লক্ষ্মীপুর কণ্ঠ (১৯৯৫) বর্তমানে বন্ধ আল-চিশত (১৯৯৫)
সাপ্তাহিক : নতুন সমাজ বর্তমানে বন্ধ, নতুন দেশ (১৯৭৩) বর্তমানে বন্ধ, সমবায় বার্তা (বাংলাদেশ বার্তা) বর্তমানে বন্ধ, ১৯৭৩), মুক্তিবাণী (১৯২৮) , অবলুপ্ত), গণমুখ (১৯৭৩, অবলুপ্ত), এলান (১৯৮২)বর্তমানে বন্ধ, নতুন পথ (১৯৮৭), দামামা (১৯৯২) বর্তমানে বন্ধ, আনন্দ আকাশ (১৯৯৫, অবলুপ্ত), রামগঞ্জ বার্তা (১৯৯১), রোজনামচা (অবলুপ্ত)।
পাক্ষিক : অবসর।
মাসিক : রেনেসাঁ, জাগরণ (২০০০), বাংলা আওয়াজ,।
ত্রৈমাসিক : রায়পুর দর্পণ (১৯৯৮)।
সাময়িকী : চেতনা (১৯৬৯), প্রচ্ছদ (১৯৮৪), ছায়াপথ, কবিতা বার্তা, রামগতি দর্পণ, লক্ষ্মীপুর বার্তা (১৯৮৯), অগ্রজ (১৯৯৯), বিচিত্রিতা (১৯৯৪), দূরদিগন্ত (২০০২), অশরীরী (২০০০), উল্কা (২০০৩), চন্দ্রাবতী (২০০৪), নাটাই(২০০৬), তাজিয়া(২০০৭), শব্দচাষ(২০০৮), আবীর আকাশ জার্নাল (২০০৯)
ঐতিহাসিক নিদর্শন
ইসহাক জমিদার বাড়ি- প্রাচীন স্থাপত্য।
কামানখোলা জমিদার বাড়ি- লক্ষ্মীপুর
জিনের মসজিদ- প্রাচীন স্থাপত্য।
শ্যামপুর দায়রা শরীফ- সূফী শাহ জকি উদ্দীনের মাজার।
তিতা খাঁ জামে মসজিদ- প্রাচীন স্থাপত্য।
দালাল বাজার জমিদার বাড়ি- প্রাচীন স্থাপত্য।
মজু চৌধুরীর হাট- নদীবন্দর
রায়পুর মৎস্য প্রজনন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র-এশিয়ার বৃহত্তম মৎস প্রজনন কেন্দ্র।
লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ- লক্ষ্মীপুর জেলার প্রথম শহীদ মিনার।
আস-সালাম জামে মসজিদ (রামগতি)
কাঞ্চনপুর হযরত সৈয়দ শাহ মিরান (রহঃ) এর মাজার বা দরগা শরীফ। যিনি বড় পীর (রহঃ) এর নাতি।
মজুপুর কেন্দ্রীয় শাহী জামে মসজিদ বা গুলিয়া পাটোয়ারী বাড়ির জামের মসজিদ ও ঈদগাহ ময়দান।
নন্দনপুর হযরত সৈয়দ শাহ খলিল (রহঃ) এর মাজার বা দরগাহ শরীফ।
মজু চৌধুরীর হাট সাইফিয়া দরবার শরীফ।
ঐতিহাসিক খোয়া সাগর দিঘি।
দর্শনীয় স্থান
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ঐতিহাসিক নিদর্শনে সমৃদ্ধ লক্ষ্মীপুর জেলায় পর্যটকদের জন্য বেশ কয়েকটি আকর্ষণীয় স্থান রয়েছে। এ জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থানগুলো হলো:
দালাল বাজার জমিদার বাড়ি: লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজারে অবস্থিত প্রায় ৪০০ বছরের প্রাচীন এই জমিদার বাড়িটি এ জেলার অন্যতম ঐতিহাসিক নিদর্শন।
জ্বীনের মসজিদ: রায়পুর উপজেলায় অবস্থিত ১৮৮৮ সালে নির্মিত এই ঐতিহাসিক মসজিদটি 'মসজিদ-ই-জামে আবদুল্লাহ' নামেও পরিচিত। এর অনন্য স্থাপত্যশৈলী পর্যটকদের আকর্ষণ করে।
আলেকজান্ডার মেঘনা বিচ: রামগতি উপজেলার চর আলেকজান্ডারে মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত এই স্থানটি জেলার অন্যতম জনপ্রিয় প্রাকৃতিক বিনোদন কেন্দ্র।
আস-সালাম জামে মসজিদ: রামগতি উপজেলায় অবস্থিত দৃষ্টিনন্দন আধুনিক স্থাপত্যের একটি মসজিদ। এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, প্রাকৃতিক আলো-বাতাস প্রবেশের এমন ব্যবস্থা করা হয়েছে যে দিনের বেলা এখানে বৈদ্যুতিক বাতির প্রয়োজন হয় না।
মতিরহাট সৈকত: কমলনগর উপজেলায় মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত এই স্থানটি নদীমাতৃক নৈসর্গিক সৌন্দর্যের জন্য জনপ্রিয়।
খোয়াসাগর দীঘি: দালাল বাজার জমিদার বাড়ির সন্নিকটে অবস্থিত সুবিশাল এই প্রাচীন দীঘিটি এই অঞ্চলের ইতিহাসের এক নীরব সাক্ষী।
তিতা খাঁ জামে মসজিদ: লক্ষ্মীপুর পৌর শহরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক ও সুপ্রাচীন মসজিদ।
রায়পুর মৎস্য প্রজনন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র: রায়পুরে অবস্থিত এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ মৎস্য হ্যাচারি।
কামানখোলা জমিদার বাড়ি: লক্ষ্মীপুর সদরে অবস্থিত চমৎকার কারুকাজমণ্ডিত প্রাচীন একটি জমিদার বাড়ি।
আলতাফ মাস্টারের ঘাট: রায়পুর উপজেলার চরবংশী ইউনিয়নে মেঘনার তীরে গড়ে ওঠা একটি চমৎকার প্রাকৃতিক পরিবেশ।
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি
আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল-মামুন — সংসদ সদস্য
লেফটেন্যান্ট জেনারেল আব্দুল ওয়াদুদ- প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও)বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রধান।
