· মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ · ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ·
নিউজ →
জেলা · বরিশাল বিভাগ

পিরোজপুর

Pirojpur

পিরোজপুর জেলার ৭টি উপজেলা

পিরোজপুর জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।

অবস্থান ও আয়তন

পিরোজপুরের উত্তরে বরিশাল জেলা ও গোপালগঞ্জ জেলা, দক্ষিণে বরগুনা জেলা, পূর্বে ঝালকাঠি জেলা ও বরগুনা জেলা এবং পশ্চিমে বাগেরহাট জেলা ও সুন্দরবন অবস্থিত। পশ্চিমে বলেশ্বর নদী পিরোজপুরকে বাগেরহাটের সাথে বিভাজিত করেছে। পিরোজপুরের অন্যতম আকর্ষণ এই বলেশ্বর নদী ।

পিরোজপুর জেলা বিষুব রেখার ২২.৩০’ থেকে ২২.৫২' উত্তর আক্ষাংশে এবং ৮৯.৫২' থেকে ৯০.১৩' দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত। পিরোজপুর জেলা মূলত সমতল ভূমি এবং মূল ভূখণ্ড সমুদ্র সমতল থেকে ক্ষেত্র বিশেষে ১০ ফুট থেকে ১৯ ফুট উঁচুতে অবস্থিত।

এখানে ডিসেম্বরের শেষে জানুয়ারির মধ্যভাগে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি থেকে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং গ্রীষ্মে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়। বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১৯৯০ মিলিমিটার। জলবায়ু মূলত নাতিশীতোষ্ণ।

নামকরণ

সর্দার বংশীয় ফিরোজ সরদারের থেকে এই অঞ্চলের নামকরন করা হয় এবং ১৭৫৩ সালে নবাব বাড়িতে শহীদ হওয়ার পরে এলাকাটি পরবর্তীকালে 'ফিরোজপুর' নামে পরিচিতি লাভ করে। কালক্রমে 'ফিরোজপুর' উচ্চারণ পরে ধীরে ধীরে 'পিরোজপুর' নামে পরিণত হয়।পিরোজপুর নামের উৎপত্তি নিয়ে বিভিন্ন মত প্রচলিত থাকলেও ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ, স্থাননাম-বিজ্ঞান (toponymy), স্থানীয় ইতিহাস এবং নৃবৈজ্ঞানিক (anthropological) উপাদানের সমন্বিত মূল্যায়নের ভিত্তিতে “ফিরোজ উদ্দীন সরদার”-সম্পর্কিত ব্যাখ্যাটি অধিক বৈজ্ঞানিকভাবে গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়। স্থানীয় মৌখিক ঐতিহ্য, আদি জনপদ-গঠনের ইতিহাস, এবং পুরনো মৌজা–নামসমূহে ফিরোজ উদ্দীন সরদারের নেতৃত্বপূর্ণ উপস্থিতির উল্লেখ পাওয়া যায়। তাঁর নামে চিহ্নিত বেশ কয়েকটি টোপোনিম—যেমন “ফিরোজপুর”, “সরদারপাড়া”, “সরদারের বাজার”—এখনও বিদ্যমান, যা নৃবিজ্ঞানীদের মতে “continuing toponymic marker” হিসেবে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ।

ভূগোল

এ অঞ্চলের বেশিরভাগ জমি নিচু এবং মাটি উর্বর। ছোট ছোট জঙ্গল আছে। নেছারাবাদ উপজেলা ব্যবসা কেন্দ্র এবং সেখানে বেড়ে ওঠা সুন্দরী গাছের (এক ধরণের ম্যানগ্রোভ) জন্যও পরিচিত।

গাবখান নদী, বলেশ্বর নদী, দামোদর নদ, কচা নদী, পোনা নদী, কোচাখালী নদী, কালীগঙ্গা নদী, সন্ধ্যা নদী, দোরাটানা নদী সহ প্রভৃতি বড় নদী ও পরিচিত নদী রয়েছে এ উপজেলায়।

সুন্দর বনের পূর্বদিকে অবস্থিত বলেশ্বর নদী দুই ভাগে বিভক্ত হলেও দিন দিন ছোট থেকে ছোট হয়ে আসছে। একটি ডোরাটানা নামে পরিচিত যা বাগেরহাটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং অন্যটি কাচা নামে পরিচিত যা ভান্ডারিয়া দিয়ে প্রবাহিত হয়। তারপরে এর একটি শাখা বালেশ্বর রয়েছে যা পরে দোরতানার সাথে মিলিত হয় এবং নাজিরপুরের মাটিভাঙ্গার কাছে কালীগঙ্গায় পতিত হয়। আর কচা কালীগঙ্গা ও সন্ধ্যা নদী দুটি নদীতে বিভক্ত হয়েছে। কালীগঙ্গা উত্তর দিকে প্রবাহিত হয়ে বলেশ্বরের সাথে মিলিত হয় এবং আরও উত্তরে প্রবাহিত হয়। এবং সন্ধ্যা নদী পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। পরে সন্ধ্যা নদী আড়িয়াল খাঁ নদের সাথে মিলিত হয়ে মেঘনায় পতিত হয়।

প্রশাসনিক এলাকাসমূহ

পিরোজপুর জেলা ৭টি উপজেলা, ৭টি থানা, ৪টি পৌরসভা, ৫৪টি ইউনিয়ন ও ৩টি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত।

পিরোজপুর জেলায় মোট ৭টি উপজেলা রয়েছে। উপজেলাগুলো হলো:

অর্থনীতি

এখানকার গ্রামীণ মানুষের আয়ের প্রধান উৎস কৃষি। এছাড়াও আয়ের অন্যান্য উৎস রয়েছে যা মূলত শহর ভিত্তিক। সেগুলি নীচে দেওয়া হলো:

ধান, পাট, আখ, গম, পেয়ারা, কলা, নারিকেল, বরই, পান, সুপারি এখানকার প্রধান কৃষি পণ্য।

জনসংখ্যার উপাত্ত

বাংলাদেশের ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী পিরোজপুর জেলার মোট পরিবার ২৯৮,৪৯০টি এবং জনসংখ্যা ১,১৯৮,১৯৫ জন। এবং তারমধ্যে ২১৮,৬৬০ জন (১৮.২৫%) ১০ বছরের কম বয়সী। জনসংখ্যা ঘনত্ব প্রতি কিলোমিটারে ৯৩৮ জন ছিলো। পিরোজপুর জেলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তার বেশি বয়সী) ৮৫.৫৩%, যেখানে জাতীয় গড় ৭৪.৮০% এবং লিঙ্গ অনুপাত প্রতি ১০০০ পুরুষে ১০৫৬ জন মহিলা। জনসংখ্যার ১৯.৯৮% শহুরে এলাকায় বসবাস করত।

একটি বৃহৎ হিন্দু সংখ্যালঘু সহ এই জেলায় ইসলাম প্রধান ধর্ম। তবে বরিশাল বিভাগের অন্যান্য জেলার মতো ২০০১-২০১১ সময়কালে সংখ্যালঘু হিন্দু জনসংখ্যা কেবল তাদের অংশই নয়, তাদের নিরঙ্কুশ সংখ্যাও হ্রাস পেয়েছে। নাজিরপুর উপজেলায় হিন্দুদের হার বৃহত্তম এবং জিয়ানগর উপজেলায় সর্বনিম্ন।

এ জেলায় ৩,০৮৭টি মসজিদ এবং ১,০৫১টি মন্দির রয়েছে।

পরিবহন

পিরোজপুরে দুটি বাস টার্মিনাল রয়েছে, পিরোজপুর বাস টার্মিনাল এবং পিরোজপুর পুরাতন বাস টার্মিনাল। অনেক বাস কোম্পানি পিরোজপুরকে ঢাকার মতো অন্যান্য জেলার সাথে সংযুক্ত করে।

নদীতে যাতায়াতের জন্য লঞ্চ, স্টিমার ও নৌকা ব্যবহার করা হয়। স্থানীয় বন্দরটি হুলারহাট লঞ্চ স্টেশন (ঘাট) নামে পরিচিত যা পিরোজপুরের প্রাথমিক বন্দর হিসাবে কাজ করে। এটি পিরোজপুর শহর থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত এবং নদী বন্দরটি কালীগঙ্গার উপর অবস্থিত। পাশেই স্টিমার ঘাট। ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলে নিয়মিত লঞ্চ চলাচল করে এখান থেকে।

শিক্ষা

পিরোজপুর জেলার সাক্ষরতার হার ৮৮.০৭%। এবং এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি শিক্ষিত জেলা।

ভাষা ও সংস্কৃতি

পিরোজপুরের ভাষা ও সংস্কৃতির ইতিহাস বেশ প্রাচীন এবং সমৃদ্ধ। বরিশাল ও খুলনার মাঝখানে অবস্থিত হওয়ায় এই দুই অঞ্চলের ভাষার দ্যোতনা পরিলক্ষিত হয় পিরোজপুরের ভাষায়। তবে পিরোজপুরের কোনো আঞ্চলিক ভাষা নেই, তবে সিংহ ভাগ মানুষ বরিশাইল্লা আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে,বরিশালের আঞ্চলিকতা লক্ষ করা যায় । প্রবাদ প্রবচন ও বিয়ের গানের জন্য পিরোজপুর বিখ্যাত। বর্তমানে উদীচি শিল্পী গোষ্ঠী, দিশারী শিল্পী গোষ্ঠী, সংগীতা, ধ্বনি শিল্পী গোষ্ঠী, রুপান্তর নাট্য গোষ্ঠী, পিরোজপুর থিয়েটার, কৃষ্ণচুড়া থিয়েটার প্রভৃতি সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী আঞ্চলিক ঐতিহ্য লালন পালন ও প্রচারে একাগ্র প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

মুক্তিযুদ্ধ

১৮৫৩ থেকে ১৮৫৫ পর্যন্ত এই জেলায় সিংখালীর বিদ্রোহ চলেছিল। এটাই ছিল দক্ষিণ বাংলার প্রথম মুক্তিযুদ্ধগুলির অন্যতম একটি স্বাধীনতা সংগ্রাম।

১৯৭১ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চ রের্সকোর্স ময়দানে 'এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম' এবং 'ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তোলো' ঘোষণার পর দেশের অন্যান্য স্থানের মতো তৎকালীন পিরোজপুরের মহকুমার প্রতিটি গ্রামে গড়ে ওঠে প্রতিরোধের দূর্গ। শত্রুর বিরুদ্ধে ৩ মার্চ বিকালে ঢাকা থেকে আগত সামসুল হক (এম.এন.এ-মঠবাড়ীয়া), ছাত্রলীগ নেতা ওমর ফারুক ও আওয়ামীলীগ নেতা বদিউল আলমের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের কর্মীরা পিরোজপুরে পাকিস্তানি পতাকায় অগ্নিসংযোগ করতে করতে মিছিল সহকারে শহর প্রদক্ষিণ করে। এর আগে ২ মার্চ ছাত্র ইউনিয়ন (মতিয়া) শহরে বাঁশের লাঠি ও ডামি রাইফেল নিয়ে সদর রাস্তায় সকল দিকে সুশৃঙ্খল মহড়া প্রদর্শন করলে পথচারী জনসাধারণ করতালি দিয়ে তাঁদের অভিনন্দন জানায়। ছাত্রলীগ নেতা ওমর ফারুক ২৩ মার্চ শত শত জনতার উপস্থিতিতে স্থানীয় টাউন হল মাঠের শহীদ মিনারে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা উড়িয়ে দেন। ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে বরিশাল থেকে নূরুল ইসলাম মঞ্জুর টেলিফোনে শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণা পিরোজপুরে পাঠান। এসময় পিরোজপুরে আওয়ামীলীগের নির্বাচিত এম.এন.এ (মেম্বর অব ন্যাশনাল এসেম্বলি) ছিলেন এ্যাডভোকেট এনায়েত হোসেন খান। ২৬ মার্চ বিকেলে পিরোজপুর টাউনহল ময়দানের জনসভায় অস্ত্র সংগ্রহের আবেগময় ও নির্দেশনামূলক আহবান জানালে এ্যাডভোকেট এনায়েত হোসেন খান, ডাঃ আব্দুল হাই, ডাঃ ক্ষিতীষ চন্দ্র মন্ডল, এ্যাডভোকেট আলী হায়দার খান, ফজলুল হক খোকন, জামালুল হক মনু প্রমূখ স্বাধীনাতা প্রেমী জনতা টাউন হলের অদূরে পিরোজপুর মহকুমা প্রশাসকের অফিস সংলগ্ন অস্ত্রাগারটি আক্রমণ করে সমস্ত রাইফেল, বুলেট সংগ্রহ করেন নেয়। ১৯ মে ১৯৭১ অস্ত্রাগারের আর.এস.আই. গোলাম মাওলা বাদী হয়ে পিরোজপুর থানায় ৫৫ জনকে আসামী করে এই ৫নং মামলা দায়ের করেন।

২১ মার্চ লাহোর থেকে পিরোজপুরে আসেন পিরোজপুরের সন্তান লেঃ জিয়াউদ্দিন। ২৭ মার্চ বিকাল ৪টা থেকে পিরোজপুর সরকারি হাইস্কুল মাঠে তাঁর প্রচেষ্টায় মুক্তিফৌজ গঠন পূর্বক অস্থায়ীভাবে গঠিত বিপ্লবী সরকারের স্থানীয় প্রধান এ্যাডভোকেট এনায়েত হোসেন খান এম.এন.এ-কে গার্ড অব অনার প্রদান করে। জনাব এনায়েত হোসেন খান (এ্যাডভোকেট), ডাঃ আঃ হাই, আলী হায়দার খান (এ্যাডভোকেট), ডাঃ ক্ষিতীশ চন্দ্র মন্ডল, এই চারজন উচু পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতা হিসাবে পিরোজপুর মহকুমার মুক্তি সংগ্রামে নেতৃত্ব দেন এবং দিক নির্দেশনামূলক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

৪ মে পিরোজপুরে প্রথমে হানাদার পাকবাহিনী প্রবেশ করে। হুলারহাট থেকে শহরে প্রবেশের পথে তারা মাছিমপুর আর কৃষ্ণনগর গ্রামে শুরু করে হত্যাযজ্ঞ। স্থানীয় রাজাকারদের সহায়তায় হিন্দু আর স্বাধীনতার পক্ষের মুসলমানদের বাড়িঘরে দেয়া হয় আগুন, হত্যা করা হয় অসংখ্য মানুষ।

৬ মে রাজাকারদের সহায়তায় পিরোজপুরের তৎকালীন এস.ডি.ও (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুর রাজ্জাক (কুমিল্লা), ম্যাজিস্ট্রেট সাইফ মিজানুর রহমান (নড়াইল), এস.ডি.পি.ও ফয়জুর আহমেদ (ময়মনসিংহ) কে গুলি করে হত্যা করা হয়। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে পিরোজপুরের অদূরে চালিতাখালী গ্রাম থেকে এক দড়িতে বেধে আনা হয় মোসলেম আলী শেখ, আব্দুর রহমান সরদার, খাউলবুনিয়ার আব্দুল গফফার মাস্টার, জলিল হাওলাদার, জুজখোলার সতীশ মাঝি এবং শামছু ফরাজীসহ ১২ জন স্বাধীনতাকামীকে। তাঁদেরকে বলেশ্বরের বধ্যভূমিতে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

১৯৭১ সালের ৮ ডিসেম্বর দুপুর ১২ টায় তৎকালীন পিরোজপুর মহকুমা শহর শত্রুমুক্ত হয় এবং সমাপ্তি ঘটে দীর্ঘ ৯ মাসের সশস্ত্র যুদ্ধের। পিরোজপুরের ঘরে ঘরে উত্তোলিত হয় বিজয়ের পতাকা।

দর্শনীয় স্থান

হরিণপালা রিভার ভিউ ইকোপার্ক

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি

দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী (২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪০ - ১৪ আগস্ট ২০২৩), মোফাসসিরে কোরআন, সাবেক সংসদ সদস্য।

মহিউদ্দিন আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা সংগঠক, ভাষা সৈনিক, রাজনীতিবীদ।

আবদুর রহিম- ইসলামি পণ্ডিত, ইসলামি রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ এবং লেখক তিনি একজন অনুবাদক হিসেবেও সর্বজন স্বীকৃত।

খান বাহাদুর হাশেম আলী খান (১৮৮৮-১৯৬২), নেছারাবাদ- বরিশাল জেলা মুসলিম লীগ এবং কৃষক প্রজা পারটির সভাপতি ছিলেন। শেরেবাংলা এ.কে. ফজলুল হকের মন্ত্রীসভায় সমবায় ও কৃষি খাতক মন্ত্রী (১৯৪১) ছিলেন।

লুৎফর রহমান সরদার ১৯০৯-১৯৮৬ লুৎফর রহমান সরদার পিরোজপুরের সর্বপ্রথম মেম্বার হিসেবে নির্বাচিত একটানা ১০ বার মেম্বার হিসেবে নির্বাচিত (মুসলিম লীগ নেতা) এবং ফিরোজপুর মহাকুমা পৌরসভার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। ১৯৮৬ সালের ১২ জুলাই ইন্তেকাল করেন।

শহীদ নূর হোসেন (১৯৬১ - ১০ নভেম্বর ১৯৮৭) মঠবাড়িয়া - রাজনৈতিক কর্মী ও শহীদ;১০ নভেম্বরকে বলা হয় শহীদ নূর হোসেন দিবস।তার খালি গায়ে লেখা ছিল "স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক"। রাজধানীর জিরো পয়েন্টে তিনি গুলিতে শহীদ হন।

খান সাহেব হাতেম আলী জমাদ্দার (১৮৭২-১৯৮২), মঠবাড়িয়া - বঙ্গীয় প্রাদেশিক আইন সভার সদস্য (১৯৩৭, ১৯৪৬, ১৯৬২); কে,এম লতীফ ইনস্টিটিউশনের প্রতিষ্ঠাতা।

মেজর (অবঃ) মেহেদী আলী ইমাম (মৃত্যুঃ ১৯৯৬), মঠবাড়িয়া- স্বাধীনতাযুদ্ধের বীর সেনানী, বীরবিক্রম।

বরিশাল বিভাগের অন্য জেলা