বরিশাল জেলার ১০টি উপজেলা
বরিশাল জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এটি ১৭৯৭ সালে বাকেরগঞ্জ নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। বরিশাল বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি নদীবন্দর। উপজেলার সংখ্যানুসারে বরিশাল বাংলাদেশের একটি “এ” শ্রেণীভুক্ত জেলা।
অবস্থান ও আয়তন
উত্তরে মাদারীপুর জেলা, শরীয়তপুর জেলা ও চাঁদপুর জেলা, দক্ষিণে ঝালকাঠি জেলা, বরগুনা জেলা ও পটুয়াখালী জেলা, পূর্বে ভোলা জেলা, লক্ষীপুর জেলা, নোয়াখালী জেলা ও মেঘনা নদী, পশ্চিমে পিরোজপুর জেলা, ঝালকাঠি জেলা ও গোপালগঞ্জ জেলা।
মেঘনা, আড়িয়াল খাঁ, বিষখালী, কীর্তনখোলা, তেতুলিয়া, টর্কি, সন্ধ্যা ও বুড়িশ্বর ইত্যাদি।
ইতিহাস
বরিশাল অঞ্চল সুপ্রাচীনকালে "বাঙ্গালা" নামে পরিচিত ছিল। এই অঞ্চলটি প্রাচীন বঙ্গ জনজাতির প্রধান আবাসস্থল ছিল। প্রাচীন ঐতিহাসিক বঙ্গভূমি বর্তমান বাংলাদেশের বরিশালেই অবস্থিত ছিল। চন্দ্র রাজবংশের বঙ্গ রাজ্যের এই অঞ্চলটি জয় করার পর এটি চন্দ্রদ্বীপ নামে পরিচিত হয়।
'বরিশাল' নামকরণ সম্পর্কে বিভিন্ন মতভেদ রয়েছে। কিংবদন্তি থেকে জানা যায়, পূর্বে এখানে খুব বড় বড় শাল গাছ জন্মাতো; আর শাল গাছ থেকেই 'বরিশাল' নামের উৎপত্তি। 'আইতে শাল, যাইতে শাল / তার নাম বরিশাল' প্রবাদটি উল্লেখ্য। আবার, কেউ কেউ দাবি করেন যে, পর্তুগীজ বেরি ও শেলির প্রেমকাহিনীর জন্য বরিশাল নামকরণ করা হয়েছে। অন্য এক কিংবদন্তি থেকে জানা যায়, গিরদে বন্দরে (গ্রেট বন্দর) ঢাকার নবাবদের বড় বড় লবণের গোলা ও চৌকি ছিল। ইংরেজ ও পর্তুগীজ বণিকরা বড় বড় লবণের চৌকিকে 'বরিসল্ট' বলতো। আবার, অনেকের ধারণা, এখানকার লবণের দানাগুলোর আকার বড় বড় ছিল বলে 'বরিসল্ট' বলা হতো। পরবর্তিতে এ শব্দটি পরিবর্তিত হয়ে বরিশাল নামের উৎপত্তি হয়েছে।
বাকেরগঞ্জে ম্যাজিস্ট্রেসি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৭৯৭ সালে রেগুলেশন-৭ অনুযায়ী বাকলা-চন্দ্রদ্বীপ নিয়ে বাকেরগঞ্জ জেলা প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালীন সময়ের প্রভাবশালী জমিদার আগা বাকের খানের নামানুসারে এ জেলার নামকরণ হয়। ১৮০১ সালের ১লা মে স্যার জন শ্যোর এ জেলার সদর দপ্তর বর্তমানে বরিশাল শহরে স্থানান্তরিত করেন। পরবর্তীতে বরিশাল নামেই এ জেলা পরিচিতি পায়। ১৮১৭ সালে এই জেলা একটি কালেক্টরেটে পরিণত হয়। ১৮২৯ সালে ঢাকা বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হলে এই জেলা ঢাকা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত হয়। যে চারটি কালেক্টরেট নিয়ে ঢাকা বিভাগ বা কমিশনারশিপ গঠিত এটি তারই একটি। এটি কলকাতা থেকে প্রায় ১৮০ মাইল পূর্বে অবস্থিত ছিল। সেসময় জেলার আয়তন ছিল ৪,০৬৬ বর্গমাইল (১৮৭২ সাল অনুসারে) যা বর্তমান মাদারীপুর, বরিশাল, ঝালকাঠী, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী ও ভোলা জেলা জুড়ে বিস্তৃত ছিল। ১৮৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত 'Calcutta Gadget' থেকে তৎকালীন বাকেরগঞ্জ জেলার সীমানার উল্লেখ পাওয়া যায়, তাতে বলা হয়, "বিশদভাবে এই জেলার উত্তরে ফরিদপুর, পশ্চিমে ফরিদপুর ও বলেশ্বর নদী যা যশোর থেকে পৃথক করেছে, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পূর্বে মেঘনা নদী ও এর মোহনা।"ব্রিটিশ আমলে অবিভক্ত বাকেরগঞ্জ জেলায় চারটি মহকুমা ছিল বাকেরগঞ্জ সদর,পিরোজপুর, পটুয়াখালী ও ভোলা(দক্ষিণ শাহবাজপুর),পাকিস্তান আমলে আরো কয়েকটি নতুন মহকুমা সৃষ্টি করা হয় যেমন ঝালকাঠী,বরগুনা এছাড়াও সদর মহকুমা প্রশাসনিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ এ ভাগ হয়। ১৯৬৯ বাকেরগঞ্জ জেলা থেকে পটুয়াখালী ও বরগুনা মহকুমা নিয়ে পটুয়াখালী জেলার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ করলে পিরোজপুর,ভোলা ও ঝালকাঠী জেলার মর্যাদা পায় এবং বাকি দুই মহকুমা বাকেরগঞ্জ সদর উত্তর ও বাকেরগঞ্জ সদর দক্ষিন নিয়ে বাকেরগঞ্জ জেলা পুনর্গঠিত হয়।১৯৯৩ সালে বরিশাল বিভাগ এর প্রতিষ্ঠার সময় বাকেরগঞ্জ জেলার নাম পরিবর্তন করে বিভাগীয় সদর দপ্তরের নামে বরিশাল জেলা করা হয়
যে গঙ্গা বা পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার সম্মিলিত জলরাশি বাহিত পলিমাটি দ্বারা গঠিত ব-দ্বীপের নিম্নভাগে এ জেলার অবস্থান, আর এটি ২১ ডিগ্রি থেকে ২৩ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯ ডিগ্রি থেকে ৯১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমায় অবস্থিত। সংক্ষেপে এর সীমারেখা হচ্ছে: উত্তরে ফরিদপুর, পশ্চিমে ফরিদপুর ও বালেশ্বর নদী ( এ নদী জেলাটিকে যশোর থেকে পৃথক করেছে), দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পূর্বে মেঘনা ও তার মোহনা। উত্তর থেকে দক্ষিণে এ জেলার দৈর্ঘ্য হচ্ছে প্রায় ৮৫ মাইল আর দক্ষিণ শাহবাজপুর দ্বীপসহ এর প্রশস্ততা হচ্ছে প্রায় ৬০ মাইল। এর আয়তন হচ্ছে প্রায় ৪,৩০০ বর্গমাইল।
এ জেলায় গ্রাম ও শহরের সংখ্যা ৩৩১২ টি হবে বলে মনে হয়। ভূমি রাজস্ব হচ্ছে প্রায় ১৩ লাখ ৭০ হাজার রুপি (১৩৭,০০০ পাউন্ড) এবং সব উৎস থেকে প্রাপ্ত মোট রাজস্বের পরিমাণ হচ্ছে ১৬ লাখ রুপি। স্থানীয় প্রশাসনের ব্যয় তিন লাখেরও কম।
প্রশাসনিক এলাকাসমূহ
বরিশাল জেলা ৩০ ওয়ার্ডবিশিষ্ট ১টি সিটি কর্পোরেশন, ১০টি উপজেলা, ১৪টি থানা, ৬টি পৌরসভা, ৮৭টি ইউনিয়ন ও ৬টি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত।
বরিশাল জেলায় মোট ১০টি উপজেলা রয়েছে। উপজেলাগুলো হল:
জনসংখ্যার উপাত্ত
২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বরিশাল জেলার মোট জনসংখ্যা ২৩,২৪,৩১০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১১,৩৭,২১০ জন এবং মহিলা ১১,৮৭,১০০ জন। মোট পরিবার ৫,১৩,৬৭৩টি।
শিক্ষা
২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী বরিশাল জেলার সাক্ষরতার হার ৭৫.০২%।
ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় স্থান সমুহ
১। বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুধল ইউনিয়নের অন্যতম আধ্যাত্মিক কেন্দ্র দুধল দরবার শরীফ—শুধু একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নয়, এটি একটি আদর্শ, একটি আন্দোলন, যা কুরআন ও সুন্নাহর শিক্ষাকে জীবন্ত করে তুলেছে। যুগের পর যুগ ধরে এই দরবার ইসলামের পূর্ণাঙ্গ দীক্ষা প্রচার করে আসছে, যেখানে আকাইদ, তাসাউফ ও ফেকাহর সমন্বয়ে পরিপূর্ণ দ্বীন শেখানো হয়।
এই দরবারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো তাসাউউফের বিলুপ্তপ্রায় ফরজে আইনের ইলমের পুনর্জাগরণ, যা আত্মশুদ্ধির জন্য অপরিহার্য। আধুনিক যুগে যেখানে অনেক জায়গায় তাসাউউফ শুধু আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে, সেখানে দুধল দরবার শরীফ মূল উৎস থেকে আত্মশুদ্ধির প্রকৃত শিক্ষা প্রচারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।
এই পবিত্র দরবারের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন একজন মহান ইসলামি মনীষী, মোজাদ্দিদে আজম হাতেম আলী দুধলী রহ., যিনি ফুরফুরা শরীফের খ্যাতিমান পীর আবু বকর সিদ্দিক রহ.-এর অন্যতম খলিফা ছিলেন। তাঁর হাতে গড়ে ওঠা এই দরবার কেবল একটি স্থান নয়, বরং এটি একটি ইসলামি পুনর্জাগরণের প্রতীক, যেখানে জ্ঞানের আলো প্রজ্বলিত হয়, সত্যের সন্ধান মেলে, এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পথে মানুষকে আহ্বান করা হয়।
২। চরমোনাই দরবার শরীফ বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী ইসলামি ধর্মীয় কেন্দ্র। এটি বরিশাল জেলার সদর উপজেলার চরমোনাইন ইউনিয়নে অবস্থিত এবং বরিশাল শহর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে, সদর উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান হিসেবে পরিচিত। চরমোনাই দরবার শরীফ মাদ্রাসা ও ইসলামিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশেষভাবে পরিচিত এবং দেশের কওমি মাদ্রাসা ও উলামাদের মধ্যে এক উল্লেখযোগ্য প্রভাব বিস্তার করেছে।
চরমোনাই পীর বা সৈয়দ ফজলুল করিমের নেতৃত্বে, এই দরবার শরীফ ইসলামী শিক্ষা, ইসলামী সংস্কৃতি, এবং সমাজে ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রসারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। চরমোনাই দরবার শরীফের ভিত্তি দারুল উলুম দেওবন্দের সাথে যুক্ত, যেখানে ইসলামী শিক্ষা ও দ্বীনী কাজের প্রতি গভীর দৃষ্টি রাখা হয়। চরমোনাই পীর সৈয়দ ফজলুল করিমের শিকড় রশিদ আহমদ গাঙ্গুহির মতো দেওবন্দের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্বদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ছিল।
এই দরবারের মুরিদ ও অনুসারীরা শুধু ধর্মীয় চিন্তা-ভাবনা থেকে শিক্ষা নেন না, বরং দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার জন্যও উৎসাহিত হন। চরমোনাই দরবার শরীফের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ইসলামিক শিক্ষা, সমাজ সেবা, এবং ইসলামি সংস্কৃতির বিকাশ। তারা জাতির ঐক্য ও ইসলামী নীতির ভিত্তিতে একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে। তাদের মূল স্লোগান হচ্ছে, "শুধু নেতা নয়, নীতির পরিবর্তন চাই", যা দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক, এবং ধর্মীয় সংস্কৃতির পরিবর্তনের প্রতি গভীর মনোযোগ প্রদান করে।
চরমোনাই পীর ঐতিহ্যগতভাবে দরবার শরীফের আমির বা প্রধান নেতা হন, এবং তাঁর নেতৃত্বে দলটি ইসলামী আন্দোলন এবং ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার ঘটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। চরমোনাই দরবার শরীফের প্রভাব শুধু বরিশাল জেলা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি দেশের বিভিন্ন স্থানে ইসলামী শিক্ষা এবং ধর্মীয় আন্দোলনের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
বাগধা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ,আগৈলঝাড়া
উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বরিশাল
বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ
বরিশাল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম)
বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
বরিশাল সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ
জামিয়া ইসলামিয়া মাহমুদিয়া বরিশাল
বরিশাল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়
বরিশাল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
শহীদ আরজুমনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়
চরমোনাই জামিয়া রশিদিয়া ইসলামিয়া
ব্রজমোহন মাধ্যমিক বিদ্যালয়
বরিশাল কালেক্টরেট মাধ্যমিক বিদ্যালয়
এস.সি.জি.এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়
কামারখালি কে এস ইউ মাধ্যমিক বিদ্যালয়
আলহাজ্ব হযরত আলি ডিগ্রি কলেজ
মানিক মিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়
আছমত আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়
Jahanara Israil School & College
নুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়
ARS Secondary Girls School
ব্যাপ্টিষ্ট মিশন বালক মাধ্যমিক বিদ্যালয়
হানুয়া লক্ষ্মীপাশা মুহাম্মাদিয়া আলিম মাদ্রাসা (কবাই,
সৈয়দ আব্দুল মান্নান ডি. ডি. এফ আলিম মাদরাসা
উলানিয়া করোনেশন মাধ্যমিক বিদ্যালয়(উলানিয়া, মেহেন্দিগন্জ)
নপাইয়া হোগলটুলি হামিদিয়া ফাজিল মাদরাসা, মেহেন্দিগঞ্জ
কাশিপুর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ
রূপাতলী জাগুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়
শেরে-ই-বাংলালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়
অক্সফোর্ড মিশন মাধ্যমিক বিদ্যালয়
কাউনিয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়
জগদীশ সাবস্বত বালিকা স্কুল ও কলেজ
এম.এম. (মমতাজ মজিদু্ন্নেছা) বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়
বরিশাল নৈশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়
পাতারহাট ইসলামীয়া ফাযিল মাদ্রাসা, মেহেন্দিগঞ্জ
লস্করপুর দাথিল মাদ্রাসা, মেহেন্দিগঞ্জ
পাতারহাট সরকারি আর. সি. কলেজ, মেহেন্দিগঞ্জ
রত্নপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আগৈলঝাড়া
ধামুড়া ডিগ্রি কলেজ,উজিরপুর
কাজলাকাঠি হাফেজ তালুকদার মাধ্যমিক বিদ্যালয়
৬৫নং নেহালগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
হিজলতলা মৌলভীরহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়
ডব্লিউ বি ইউনিয়ন ইনষ্টিটিউশন, উজিরপুর
কাসেমাবাদ সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসা, গৌরনদী
এ ওয়াহেদ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়,বরিশাল
মেদাকুল বি.এম.এস.ইনস্টিটিউশন, গৌরনদী
সরকারি মুলাদী মাহামুদজান মাধ্যমিক বিদ্যালয়
এ.বি.আর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রামচর,আলীমাবাদ, মুলাদী।
চন্দ্রমোহন আর এম মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বরিশাল
চরকালেখান আইডিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়
চরকালেখান আদর্শ ডিগ্রি কলেজ
চিত্তাকর্ষক স্থান
চর মোনাই দরবার ও মাদ্রাসা
সাতলার বিল,উজিরপুর,বরিশাল।
বরিশাল মহাশ্মশান,সদর,বরিশাল
জীবনানন্দ দাশ এর বাড়ি(ধানসিঁড়ি),সদর,বরিশাল
অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী খাজা নাজিউদ্দীনের বাসভবন,সদর,বরিশাল
অক্সফোর্ড মিশন গীর্জা,সদর,বরিশাল
বেল ইসলামিয়া হসপিটাল,সদর,বরিশাল



