· মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ · ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ·
নিউজ →
জেলা · ঢাকা বিভাগ

মুন্সিগঞ্জ

Munshiganj

মুন্সিগঞ্জ জেলার ৬টি উপজেলা

মুন্সীগঞ্জ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। মুন্সীগঞ্জ ঢাকা বিভাগের একটি জেলা। মুন্সীগঞ্জের প্রাচীন নাম বিক্রমপুর।

অবস্থান ও আয়তন

মুন্সীগঞ্জ জেলার আয়তন ৯৫৪.৯৬ বর্গ কিমি। এর বৃহত্তম থানা- শ্রীনগর (২০৩ বর্গ কিমি), ক্ষুদ্রতম থানা- লৌহজং (১৩০ বর্গ কিমি)। মুন্সীগঞ্জ জেলার উত্তরে ঢাকা জেলা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা, দক্ষিণে মাদারীপুর জেলা, শরীয়তপুর জেলা ও পদ্মা নদী, পূর্বে মেঘনা নদী, কুমিল্লা জেলা ও চাঁদপুর জেলা, পশ্চিমে ঢাকা জেলা ও ফরিদপুর জেলা। অবস্থান: ২৩°২৩´ থেকে ২৩°৩৮´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০°১০´ থেকে ৯০°৪৩´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ। মোট আয়তন ২৩৫৯৭৪ একর যার মধ্যে ১৩৮৪৭২ একর চাষযোগ্য এবং ৫৬০৯ একর নিচু জমি। মুন্সীগঞ্জ সমতল এলাকা নয়। জেলার কিছু কিছু অঞ্চল যথেষ্ট উচু যদিও জেলায় কোনো পাহাড় নেই। মুন্সীগঞ্জের বেশির ভাগ এলাকা নিম্নভূমি বলে বর্ষায় পানিতে অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়ে।

ইতিহাস

প্রাচীনকালে নিঃসন্দেহে মুন্সীগঞ্জ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কেন্দ্র ছিল। অঞ্চলটি খ্রিস্টীয় দশ শতকের শুরু থেকে তেরো শতকের প্রথম পর্যন্ত পাল, চন্দ্র, বর্মন ও সেন রাজাদের রাজধানী ছিল। যদিও বিক্রমপুর (অধুনা মুন্সীগঞ্জ) এর জনপদের বয়স আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব পাঁচ হাজার বছর আগের। মিশরে পাঁচ হাজার বছর আগের জনৈক রাজার মমিতে যে মসৃণ নীল বস্ত্র আবিষ্কৃত হয়েছে অনুমানিকভাবে ধরা হয় সেটি বিক্রমপুর থেকেই তৈরি।একাদশ শতকে ভারতীয় উপমহাদেশের বিখ্যাত বৌদ্ধশিক্ষা মন্দির এর অবস্থান মুন্সিগঞ্জের সদর উপজেলার বজ্রযোগিনী গ্রামে।মুন্সীগঞ্জ উল্লেখ ‘স খলু শ্রী বিক্রমপুর সমাবাসিত শ্রীমজ্জয়স্কন্ধবারাত’ (বিজয় অথবা রাজধানীর রাজকীয় স্থান যা মুন্সীগঞ্জে অবস্থিত)-রূপে শ্রীচন্দ্রের তাম্রশাসনে সর্বপ্রথম দেখা যায় এবং পরবর্তী বর্মন ও সেন রাজবংশের শাসনামলে এ মর্যাদা অব্যাহত ছিল। এমনকি সেনদের শাসনামলে, যাঁরা বলতে গেলে প্রায় সমগ্র বঙ্গের ওপর প্রাধান্য বিস্তার করেছিলেন, মুন্সীগঞ্জ তাদের রাজধানী রূপে বলবৎ ছিল এবং নদীয়ায় বখতিয়ার খলজীর হাতে পরাজিত হওয়ার পর লক্ষ্মণসেন এ অঞ্চলে এসেছিলেন। তার দুই পুত্র বিশ্বরূপসেন ও কেশবসেন স্বল্পকালের জন্য এ অঞ্চল শাসন করেছিলেন। বিশ্বরূপসেন ও কেশবসেনের তাম্রশাসনগুলিতে রাজধানী রূপে মুন্সীগঞ্জের উল্লেখ না থাকলেও তারা যে ভূমি দান করেছিলেন তার অবস্থান ছিল মুন্সীগঞ্জ ভাগে। এতে এ অঞ্চলের ওপর তাদের কর্তৃত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। মুন্সীগঞ্জের খ্যাতি ১২৮০ খ্রিষ্টাব্দের প্রথম দিক পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল। এসময় দনুজমাধব দশরথদেব কিংবা জিয়াউদ্দীন বরনীর দনুজ রায় সুবর্ণ গ্রামের (সোনারগাঁও) সন্নিকটে তার রাজধানী স্থানান্তর করেন। তখন থেকে সমগ্র সুলতানি আমলে এ অঞ্চলটি বিস্মৃতির পাতায় থেকে যায়। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে বোঝা যায়, বিক্রমপুর ই প্রাচীন বাংলার দ্বিতীয় রাজধানী (প্রথম রাজধানী বগুড়ার পুণ্ডনগর)ছিলো।এরপর মোঘল যুগে রাজস্ব তালিকায় শুধু পরগনা হিসেবে এর নামের উল্লেখ পুনরায় দেখা যায়। মোঘল আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মুন্সীগঞ্জের জমিদার চাঁদ রায় ও কেদার রায় এর (বাংলার বারো ভূঁইয়াদের উল্লেখযোগ্য দুজন) বীরোচিত প্রতিরোধ মুন্সীগঞ্জকে কিছুটা স্বল্পস্থায়ী গৌরব প্রদান করে। আদি বিক্রমপুরের পরিধি আরও বিশাল এলাকা নিয়ে বিস্তৃত ছিল । বিক্রমপুরের মূল প্রশাসনিক এলাকা "শ্রীপুর " ( যা বর্তমান মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী উপজেলার দিঘিরপাড় বাজারের দক্ষিণে পদ্মার ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে) যা বহুকাল "রাজবাড়ী" নামে পরিচিত ছিলো।

মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলি

১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ ছাত্রজনতা সরকারি অস্ত্রাগার থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র লুট করে এবং পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ৯ মে পাকবাহিনী গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে চার শতাধিক নিরীহ গ্রামবাসিকে গুলি করে হত্যা করে এবং ১৪ মে কেওয়ার এলাকায় হামলা করে কিছুসংখ্যক যুবককে হত্যা করে। এর আগে ৩১ মার্চ পাকবাহিনী নারায়ণগঞ্জ জেলায় আক্রমণ চালালে মুন্সীগঞ্জ জেলার তরুণরা নারায়ণগঞ্জবাসীদের সঙ্গে মিলিতভাবে আক্রমণ প্রতিহত করে। জুলাই মাসে ধলাগাঁও এলাকায় শত শত যুবককে রিক্রুট করে ট্রেনিং দেওয়া হয় এবং তারা বিভিন্ন অপারেশনে অংশ নেয়। ১১ আগস্ট মুক্তিযোদ্ধারা শ্রীনগর থানা, ১৪ আগস্ট লৌহজং থানা নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে টংগিবাড়ী থানা আক্রমণ করে প্রচুর অস্ত্র ও গোলাবারুদ হস্তগত করে। মুক্তিযোদ্ধারা উপজেলার শিবরামপুর এলাকায় আক্রমণ চালিয়ে পাকবাহিনীর তিনটি গানবোট ডুবিয়ে দেয় এবং এতে বেশসংখ্যক পাকসেনা নিহত হয়। গোয়ালিমান্দ্রাতে মুক্তিযোদ্ধারা ৬ জন রাজাকারকে হত্যা করে এবং পরে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে এক সম্মুখ লড়াইয়ে প্রায় ৩৫ জন পাকসেনা নিহত হয়। পাকবাহিনী শেখর নগর গ্রামের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয় এবং নিরীহ লোকদের হত্যা করে। ওই বছরের ২৭ রমজান শবে কদর রাতে ১১৫ জন মুক্তিযোদ্ধা পাকসেনাদের ওপর সম্মিলিত আক্রমণ চালিয়ে মুন্সীগঞ্জ শহর দখল করে নেয়। ৪ নভেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা টংগিবাড়ী থানা দখল করে এতে এলাকাটি ১৫ নভেম্বর তারিখে সম্পূর্ণ হানাদারমুক্ত হয় এবং সবশেষে ১১ ডিসেম্বর মুন্সীগঞ্জ সম্পূর্ণ শত্রুমুক্ত হয়।

নামকরণ

মোঘল শাসনামলে মুন্সীগঞ্জ এর নাম ছিলো ইদ্রাকপুর। ষোড়শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে ইদ্রাকপুর কেল্লার ফৌজদারের নাম ছিলো ইদ্রাক। ধারণা করা হয় তার নাম অনুসারেই তখন এখানকার নাম হয়েছিলো ইদ্রাকপুর। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সময়ে রামপালের কাজী কসবা গ্রামের মুন্সী এনায়েত আলীর জমিদারভুক্ত হওয়ার পর তার মুন্সী নাম থেকে ইদ্রাকপুরের নাম মুন্সীগঞ্জ হিসেবে অভিহিত হয়। আবার অনেকের মতে, মোঘল শাসনামলে এলাকার ফৌজদারী আদালতের প্রধান হায়দার আলী মুন্সীর নামানুসারে মুন্সীগঞ্জ নামের উৎপত্তি।

জলবায়ু

মুন্সীগঞ্জের জলবায়ু সমভাবাপন্ন। তবে আর্দ্রতা ও দূষনযুক্ত এলাকার সংখ্যাও নেহাত কম নয়। এখানকার জলবায়ু ঋতু বিশেষে পরিবর্তনশীল। শীতকালে শীতের তীব্রতা দেশের অন্যান্য স্থানের মতো তত প্রবল নয়। এলাকাটি নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলভূক্ত।

জনসংখ্যা

মুন্সীগঞ্জ জেলার জনসংখ্যা ১২,৯৩,৯৭২ জন; পুরুষ ৬৫৫৫৮৫ জন ও মহিলা ৬৩৮৩৮৭ জন।

মুসলিম ১১৮১০১২ জন, হিন্দু ১১০৮০৪ জন , বৌদ্ধ ১৯২২ জন , খ্রিস্টান ১০৩ জন এবং অন্যান্য ৩০৮ জন।

শিক্ষা

শিক্ষার হার ৭৫.০০%। কলেজ ১৬টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রায় ১২৫ টি, প্রাথমিক বিদ্যালয় ৫৪৯টি, মাদ্রাসা ২৯টি। উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে হাঁসাড়া কালী কিশোর স্কুল এন্ড কলেজ (১৮৭৯) যা মুন্সিগঞ্জ জেলার সবচেয়ে প্রাচীনতম বিদ্যালয়, এই বিদ্যালয়টি ১৯১৫ সালে মাধ্যমিক শাখা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী স্বীকৃতি লাভ করে।[১] এছাড়া, কে কে গভঃ ইন্সটিটিউশন (১৯৪২), আলবার্ট ভিক্টোরিয়া যতীন্দ্র মোহন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ (১৮৯২) যা ১৯৯১ সালে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ নির্বাচিত হয়, বিক্রমপুর টংগীবাড়ী সরকারি কলেজ, মুন্সীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় (১৮৮৫) যেখান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ, কলমা লক্ষ্মীকান্ত উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ (১৯০১),মুন্সীগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় (১৯৬৮), সরকারি হরগঙ্গা কলেজ (১৯৩৮), সরকারি শ্রীনগর কলেজ (১৯৭০), রংমেহার উচ্চ বিদ্যালয় , পুরা দুর্গাচরণ উচ্চ বিদ্যালয়(১৯৩০),মুন্সীগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ(১৯৮৪), ইউনুছ খান মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজইত্যাদি।

প্রশাসনিক এলাকাসমূহ

মুন্সীগঞ্জ জেলায় ছয়টি উপজেলা রয়েছে। ৬ টি উপজেলার মধ্যে ৬৭ টি ইউনিয়ন রয়েছে।

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ০৯ টি।

শিলই, আধারা, বাংলাবাজার, পঞ্চসার, রামপাল, বজ্রযোগীনি, চরকেওয়ার, মোল্লাকান্দি, মহাকালি।

টংগিবাড়ী উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ১৩ টি।

রংমেহার, পাঁচগাও, কাঠাদিয়া-শিমুলিয়া, সোনারং-টংগিবাড়ী, বেতকা, আব্দুল্লাপুর, যশলং, কামারখাড়া, দিঘিরপাড়, হাসাইল-বানারী, আউটশাহী, আড়িয়ল, বালিগাঁও

শ্রীনগর উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ১৪ টি।

শ্রীনগর, শ্যামসিদ্ধি, ষোলঘর, কুকুটিয়া, তন্তর, আটপাড়া, রাঢ়ীখাল, ভাগ্যকুল, বাঘড়া, কোলাপাড়া, পাটাভোগ, হাঁসাড়া, বীরতারা, বাড়ৈখালী

লৌহজং উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ১০ টি।

মেদিনীমন্ডল, খিদিরপাড়া, বৌলতলী, কলমা, গাওদিয়া, বেজগাঁও, কনকসার, লৌহজং-তেউটিয়া, কুমারভোগ, হলদিয়া

গজারিয়া উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ৮ টি।

টেংগারচর, বালুয়াকান্দি, ভবেরচর, বাউশিয়া, গজারিয়া, হোসেন্দী, ইমামপুর, গুয়াগাছিয়া

সিরাজদিখান উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ১৪ টি।

চিত্রকোট, শেখর নগর, রাজানগর, কেয়াইন, বাসাইল, রশুনিয়া, লতব্দী, বালুচর, ইছাপুর, বয়রাগাদি, মালখানগর, মধ্যপাড়া, জৈনসার, কোলা।

অর্থনীতি

জনগোষ্ঠীর আয়ের প্রধান উৎস কৃষি ৩৪.৬৪%, অকৃষি শ্রমিক ২.১৭%, শিল্প ৪.৬৯%, ব্যবসা ২৩.১৭%, পরিবহন ও যোগাযোগ ৩.৭৫%, নির্মাণ ২.২৭%, ধর্মীয় সেবা ১.১৯%, চাকরি ১২.৮৭%, রেন্ট অ্যান্ড রেমিটেন্স ৫.৯৫% এবং অন্যান্য ৯.৩%।

অর্থনৈতিক দিক দিয়ে মুন্সীগঞ্জ খুব দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। কয়েক বছরে এখানে অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় নগরী গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

শিল্প প্রতিষ্ঠান

২। সিমেন্ট ফ্যাক্টরী - ৬টি

৫। টিস্যু - ১টি (বসুন্ধরা)

৬। জাহাজ নির্মাণ শিল্প- ৩টি

পত্র-পত্রিকা

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার রামপাল ইউনিয়নের রঘুরামপুর গ্রামে মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকা হাজার বছরের পুরনো বৌদ্ধ বিহারের সন্ধান মিলেছে। প্রত্নসম্পদ ও ঐতিহাসিক নিদর্শন উদ্ধারে চালানো খনন কাজের মাধ্যমে এ বৌদ্ধ বিহার আবিষ্কৃত হয়। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য জানিয়েছেন বিক্রমপুর অঞ্চলে প্রত্নতত্ত্ব খনন ও ঐতিহাসিক নিদর্শন আবিষ্কার নিয়ে গবেষণা পরিচালক ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. সুফি মোস্তাফিজুর রহমান। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এরই মধ্যে বৌদ্ধ বিহারের পাঁচটি ভিক্ষু কক্ষ উন্মোচিত হয়েছে। একেকটি ভিক্ষু কক্ষের পরিমাপ ৩ দশমিক ৫ মিটার (দৈর্ঘ্য) ও ৩ দশমিক ৫ মিটার (প্রস্থ)। ধারণা করা হচ্ছে, বৌদ্ধ ধর্মের জ্ঞান তাপস অতীশ দ্বীপঙ্করের সঙ্গে এ বৌদ্ধ বিহারের সম্পর্ক রয়েছে।

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি

জগদীশ চন্দ্র বসু – আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিজ্ঞানী।

চিত্তরঞ্জন দাশ – রাজনীতিবিদ।

শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ - রাজনীতিবিদ।

মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম বিক্রমপুরী

সরোজিনী নায়ডু – কবি ও রাজনীতিবিদ।

অঘোরনাথ চট্টোপাধ্যায় – বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ।

কালী কিশোর সেন চৌধুরী (জমিদার, শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক ও দানবীর)

কফিল উদ্দিন চৌধুরী (যুক্তফ্রন্টের যুগ্ম-সচিব)

একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী (বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ)

শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন (বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ)

জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (লেফট্যানেন্ট জেনারেল (অবঃ) এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা)

আদিলুর রহমান খান (বাংলাদেশী মানবাধিকার কর্মী ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা)

হাবিব ওয়াহিদ (সংগীতশিল্পী, সুরকার, সঙ্গীতবিদ,সংগীত পরিচালক)

বালাম (সংগীতশিল্পী, সুরকার, সঙ্গীতবিদ,সংগীত পরিচালক)

শ্রেয়া ঘোষাল(সংগীতশিল্পী)

অনন্ত জলিল (অভিনেতা ,ব্যবসায়ী