- সংগঠনটি তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ থেকে ব্যক্তি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অর্জিত মূলধনি মুনাফার ওপর ২০৩০ সাল পর্যন্ত পূর্ণ কর অব্যাহতি চেয়েছে।
- ডিবিএর এই প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য দেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার করা।
- পাশাপাশি বাজারে তারল্য বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ উৎসাহিত করাও এই প্রস্তাবের অন্যতম উদ্দেশ্য।
- ডিবিএ ২০৩০ সাল পর্যন্ত পূর্ণ কর অব্যাহতির প্রস্তাব দিয়েছে
- ব্যক্তি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য এই প্রস্তাব
- তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের মূলধনি মুনাফার ওপর কর ছাড় চাওয়া হয়েছে
- লক্ষ্য বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার ও বাজারে তারল্য বৃদ্ধি
পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ বাড়াতে কর অব্যাহতির প্রস্তাব দিয়েছে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)। সংগঠনটি তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ থেকে ব্যক্তি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অর্জিত মূলধনি মুনাফার ওপর ২০৩০ সাল পর্যন্ত পূর্ণ কর অব্যাহতি চেয়েছে।
আরও পড়ুনভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: বাণিজ্যমন্ত্রীডিবিএর এই প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য দেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার করা। পাশাপাশি বাজারে তারল্য বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ উৎসাহিত করাও এই প্রস্তাবের অন্যতম উদ্দেশ্য।
স্টক ব্রোকারদের এই সংগঠন মনে করে, কর অব্যাহতি দিলে বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগে আগ্রহী হবেন। এর ফলে পুঁজিবাজার আরও শক্তিশালী হবে এবং দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বর্তমানে পুঁজিবাজারে অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা কাটিয়ে উঠতে এই কর অব্যাহতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ডিবিএর প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও বাড়বে।
তবে এই প্রস্তাব বাস্তবায়নের জন্য সরকারের সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। ডিবিএ আশা করছে, সরকার পুঁজিবাজারের উন্নয়নে এই প্রস্তাব বিবেচনা করবে।
তথ্যসূত্র: চ্যানেল ২৪, জাগো নিউজ






