- রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত পণ্য আমদানির পাইপলাইনে রয়েছে।
- বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ২০৪ টাকা থেকে ২১৮ টাকা করার আবেদন করেছিল কোম্পানিগুলো।
- পণ্য আমদানিতে এলসি জটিলতা থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী।
- বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছেন, বর্তমানে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।
- রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত পণ্য আমদানির পাইপলাইনে রয়েছে।
- বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ২০৪ টাকা থেকে ২১৮ টাকা করার আবেদন করেছিল কোম্পানিগুলো।
- পণ্য আমদানিতে এলসি জটিলতা থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আরও পড়ুনবিশ্বব্যাংক: প্রবৃদ্ধি নেমে ৩.৪ শতাংশ | কালারস অব বাংলাদেশআসন্ন পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত পণ্য আমদানির পাইপলাইনে রয়েছে বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, রমজানকে কেন্দ্র করে বাজারে পণ্যের সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা নেই।
বৈঠকে বাণিজ্য সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নাসির উদ দৌলাসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আমদানিকারক ও ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ভোজ্যতেল উৎপাদন ও পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলো বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ২০৪ টাকা থেকে ২১৮ টাকা, পাঁচ লিটারের বোতলের দাম ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৭০ টাকা এবং খোলা তেলের দাম ১৮৫ থেকে ১৯৯ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই।
আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের মূল্য ও জাহাজভাড়ার ওঠানামা আমদানি ব্যয় এবং দেশের বাজারে পণ্যের দাম নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে উল্লেখ করেন তিনি। বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার সতর্ক অবস্থানে আছে বলেও জানান মন্ত্রী।
পণ্য আমদানিতে ঋণপত্র (এলসি) খোলায় বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতার অভিযোগ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। কোনো আমদানিকারক এলসির মার্জিন বা ব্যাংকিং জটিলতায় পড়লে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
আন্তর্জাতিক বাজারে ছোলার দাম কিছুটা বেড়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে আমদানিকারকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। সরবরাহব্যবস্থা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সরকার তৎপর রয়েছে।
তথ্যসূত্র: ঢাকা পোস্ট, প্রথম আলো, বাংলা ট্রিবিউন, জাগো নিউজ






