- ডানপন্থী জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়ে ৫৩ আসন পেয়েছে।
- বিরোধী শিবিরের কাছে ৬৭ আসন থাকলেও মতাদর্শিক দ্বন্দ্বে বিভক্ত।
- আরব দলগুলো রেকর্ড ১৯ আসন পেতে যাচ্ছে বলে অনুমান।
- লিকুদ পার্টি ২৬ আসন পেয়ে একক বৃহত্তম দল হিসেবে রয়েছে।
- ডানপন্থী জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়ে ৫৩ আসন পেয়েছে।
- বিরোধী শিবিরের কাছে ৬৭ আসন থাকলেও মতাদর্শিক দ্বন্দ্বে বিভক্ত।
- আরব দলগুলো রেকর্ড ১৯ আসন পেতে যাচ্ছে বলে অনুমান।
ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর রাজনৈতিক অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৯০ শতাংশ ভোট গণনা শেষে কোনো স্পষ্ট বিজয়ী পাওয়া যায়নি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি ২৬ আসন পেয়ে একক বৃহত্তম দল হিসেবে টিকে থাকলেও তাঁর ডানপন্থী জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১ আসনের বিপরীতে তারা ৫৩ আসন জিততে চলেছে।
আরও পড়ুনস্পেনে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৬৮, তিন দিনের শোক ঘোষণানেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকটের দল ২১ আসন জিতেছে। তবে তাঁর শিবিরের অন্যান্য ইহুদি দলগুলোর আসন মিলিয়ে মোট আসন ৪৮টি, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য যথেষ্ট নয়। ৬১ আসনের কোটায় পৌঁছাতে তাদের আরব দল রাআম এবং জয়েন্ট লিস্ট-এর সমর্থন প্রয়োজন। আরব দলগুলো যৌথভাবে রেকর্ড ১৯টি আসন পেতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আরব ও ইসরায়েলি ফিলিস্তিনি নাগরিকদের রেকর্ডসংখ্যক ভোট দেওয়ার পেছনে ছিল উগ্র ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী বেন-গভিরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ। তাঁর মেয়াদে উগ্রপন্থী ইহুদিরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং তিনি আরব ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে আসছেন।
জয়েন্ট লিস্ট বুধবার জানিয়েছে, তারা রাজনৈতিক সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত এবং নেতানিয়াহুর শাসনের অবসান ঘটাতে সবকিছু করতে ইচ্ছুক। তবে আইজেনকটের দুই ডানপন্থী মিত্র নাফতালি বেনেট এবং অবিগদোর লিবারম্যান আরব দলগুলোর ওপর নির্ভরশীল যেকোনো সরকারের বিরোধিতা করেছেন।
নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, তাঁর প্রধান লক্ষ্য হলো ইহুদি-আরব রাজনৈতিক সহযোগিতাকে অবৈধ ঘোষণা করা এবং বিরোধীদের প্রতিহত করা। লিকুদ পার্টি আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে ঘুষ, হুমকি, সহিংসতা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ‘নির্বাচন ছিনতাই’ করার অভিযোগ এনেছে। সেন্ট্রাল ইলেকশন কমিটি অভিযোগ পরীক্ষা করছে।
নেতানিয়াহু ইরানে হামলা চালানো বা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ইসরায়েলি রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করার মতো কৌশল নিতে পারেন বলে সূত্র জানিয়েছে। নির্বাচন-পরবর্তী এই জটিল পরিস্থিতিতে আগামী সপ্তাহগুলোতে ইসরায়েলের রাজনীতি নতুন মোড় নিতে পারে।
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো





