· মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ · ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ·
নিউজ →
জেলা · রংপুর বিভাগ

পঞ্চগড়

Panchagarh

পঞ্চগড় জেলার ৫টি উপজেলা

পঞ্চগড় জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রংপুর বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের জেলা। এই জেলা থেকেই বহুল আলোচিত হিমালয়ের কাঞ্চনজঙ্ঘা চূড়া দেখতে পাওয়া যায়।

অবস্থান ও আয়তন

পঞ্চগড় জেলার আয়তন প্রায় ১,৪০৪.৬২ বর্গ কি.মি. বা ৫৪২.৩৩ বর্গমাইল। বাংলাদেশের সর্বোত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের স্থানাঙ্ক প্রায় ২৬.২৫° উত্তর ৮৮.৫০° পূর্ব / 26.25; 88.50। পঞ্চগড় জেলার উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, দক্ষিণে দিনাজপুর জেলা ও ঠাকুরগাঁও জেলা, পূর্বে নীলফামারী জেলা, পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের জন্য স্যার সিরিল রেডক্লিফের নির্ধারিত সীমানা অনুযায়ী পঞ্চগড় জেলার তিনদিকে প্রায় ১৮০ মাইল বা ২৮৮ কি.মি. জুড়ে ভারতের সীমান্ত অবস্থিত।

পঞ্চগড় জেলার মাটি বালুকাময়, জলাভূমি এবং পুরাতন হিমালয় বেসিনের মাটির সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত। সমুদ্রতল থেকে এর উচ্চতা প্রায় ১৫০ ফুট (৪৬ মিটার)।

ইতিহাস

কেউ কেউ মনে করে থাকেন যে, প্রাচীনকালে পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের অর্ন্তগত ‘পঞ্চনগরী’ নামে একটি অঞ্চল ছিল। কালক্রমে পঞ্চনগরী ‘পঞ্চগড়’ নামে আত্মপ্রকাশ করে। ‘পঞ্চ’ (পাঁচ) গড়ের সমাহার ‘পঞ্চগড়’ নামটির অপভ্রংশ ‘পঞ্চগড়’ দীর্ঘকাল এই জনপদে প্রচলিত ছিল। কিন্তু এই অঞ্চলের নাম যে পঞ্চগড়-ই ছিল সে ব্যাপারে সম্পূর্ণ নিশ্চিত হওয়া যায় না। পঞ্চগৌড়ের একটি অংশ হিসেবে প্রাকৃত ভাষার বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী পঞ্চগড়ের নামকরণের সম্ভাবনা থেকে যায়। অর্থাৎ পঞ্চগৌড় > পঞ্চগোড় > পঞ্চগড়। অবশ্য আরেকটি বহুল প্রচলিত ধারণা মতে, এই অঞ্চলের পাঁচটি গড়ের সুস্পষ্ট অবস্থানের কারণেই "পঞ্চগড়" নামটির উৎপত্তি। গড়গুলো হলো:

আবার কিছুটা ভিন্ন মতে ‘পঞ্চ’ শব্দের অর্থ 'পাঁচ', আর ‘গড়’ শব্দের অর্থ 'বন বা জঙ্গল'। ভারত বিভাগের আগে এই অঞ্চল জঙ্গলাকীর্ণ থাকায়, তা থেকেও এলাকার নাম হতে পারে 'পঞ্চগড়'। যদিও বর্তমানে জনবসতি গড়ে ওঠায় বনভূমি প্রায় নেই বললেই চলে॥

পঞ্চগড় একটি প্রাচীন জনপদ। প্রাচীন ও মধ্য যুগে এই ভূখণ্ডের পাশেই ছিল মগধ, মিথিলা, গৌড়, নেপাল, ভুটান, সিকিম ও আসাম রাজ্যের সীমান্ত। আধুনিককালের মত অতীত কালেও জনপদটি ছিল সীমান্ত অঞ্চল। এই ভূখণ্ডটি পর্যায়ক্রমে শাসিত হয়েছে প্রাগজ্যোতিষপুর, কামরূপ, কামতা, কুচবিহার ও গৌর রাজ্যের রাজা, বাদশা, সুবাদার এবং বৈকুন্ঠপুর অঙ্গ রাজ্যের দেশীয় রাজা ও ভূ-স্বামীদের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে। খ্রিস্টীয় ২য়, ৩য় শতকের মধ্যে রাজা ‘শালিবাহন’, রাজা ‘পৃথু’ এবং রাজা ‘জল্লেশ’ পঞ্চগড়ের শালবাহান ও ভিতরগড় এলাকায় নগর ও সমৃদ্ধ জনপদ গড়ে তুলেছিলেন। মৌর্য, গুপ্ত ও পাল রাজারাও এই অঞ্চল শাসন করেছিলেন।

মধ্যযুগের শুরুতেই প্রথম মুসলিম বঙ্গবিজয়ী সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মাদ বিন বখতিয়ার খলজী তার বহু বিতর্কিত তিব্বত অভিযানের এক পর্যায়ে পঞ্চগড় জনপদের ভেতর দিয়ে অগ্রসর হয়েছিলেন বলে জানা যায়। সুলতান হোসেন শাহ এবং কামতার রাজা নীলধ্বজ তেঁতুলিয়া থানার দেবনগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বলে কোন কোন ঐতিহাসিক মত প্রকাশ করেন। সুলতান জালাল উদ্দিন ফতেহ শাহ, সুলতান বারবক শাহ, শেরশাহ, খুররম খাঁ (শাহজাহান), মীরজুমলা, সুবাদার ইব্রাহীম খাঁ ফতে জঙ্গ এবং অন্ত মধ্যযুগে দেবী চৌধুরাণী, ভবানী পাঠক, ফকির মজনুশাহ প্রভৃতি ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে পঞ্চগড় জনপদের নাম ও স্মৃতি নিবিড়ভাবে জড়িত। ষোড়শ শতকে কুচবিহার রাজ্য গঠিত হওয়ার পর থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত পঞ্চগড় অঞ্চল মূলত কোচ রাজন্যবর্গের দ্বারাই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে শাসিত হয়েছে।

১৯১১ সালে পঞ্চগড় থানা পূর্ণাঙ্গরূপে আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৪৭ সালের বঙ্গভঙ্গের পূর্বে আটোয়ারী উপজেলা ব্যতীত সমগ্র পঞ্চগড় অঞ্চল অবিভক্ত বাংলার দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি জেলার অধীন ছিল। এ অঞ্চলে হিন্দু ও মুসলিম অধিবাসীর সংখ্যা প্রায় সমান হওয়ায় এলাকাটি ভারত নাকি পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হবে, তা নিয়ে ব্যাপক রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়। তৎকালীন কৃষক আন্দোলন ও তেভাগা আন্দোলন-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেক নেতাকর্মী কারাগারে বা আত্মগোপনে থাকায় অঞ্চলটিতে কংগ্রেসের প্রভাব তুলনামূলকভাবে সীমিত ছিল। কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ কলকাতা থেকে সমগ্র জলপাইগুড়ি জেলাকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা চালান। অপরদিকে, জলপাইগুড়ি জেলা মুসলিম লীগের নেতৃবৃন্দ মুসলিম অধ্যুষিত পঞ্চগড়, তেঁতুলিয়া, বোদা, দেবীগঞ্জ ও পাটগ্রাম থানাকে পাকিস্তানে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে জনমত গঠন শুরু করেন।

১৯৪৭ সালের ৩ জুন ভারত বিভাগের প্রস্তাব ঘোষণার পর বঙ্গীয় আইনসভা বিভক্ত হয় এবং ২০ জুন অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ জেলার প্রতিনিধিরা বিভক্তির পক্ষে ও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জেলার প্রতিনিধিরা বিপক্ষে ভোট দেন। এর পরপরই চূড়ান্ত সীমানা নির্ধারণের জন্য র‌্যাডক্লিফ বাউন্ডারি কমিশন গঠন করা হয়। তৎকালীন জলপাইগুড়ি জেলা মুসলিম লীগের সভাপতি নবাব মোশাররফ হোসেন এবং বোদার ডাঃ সলিমউল্লাহর নেতৃত্বে কাজী হালিম উল্লাহ, দারাজ উদ্দিন আহমদ, মো. আব্দুল করিম, মো. সিরাজুল করিম, মির্জা গোলাম হাফিজ, আইয়ুব হক, জফিরুদ্দিন আহমদ, গমির উদ্দিন প্রধান, মো. মহিরউদ্দিন সরকার, ডাঃ আতাউর রহমান ও মোবারক আলীসহ অন্যান্য নেতাকর্মী প্রত্যন্ত অঞ্চলে পাকিস্তানভুক্তির পক্ষে প্রচারণা চালান। ১৬ ও ১৭ জুলাই কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ উভয় পক্ষই কমিশনের নিকট লিখিত দাবি পেশ করে। মুসলিম লীগের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতার যুক্তি উপস্থাপনের লক্ষ্যে চা-বাগানের শ্রমিকদের পরিসংখ্যানসহ মেমোরেন্ডাম দাখিল করা হয়; এ কাজে মির্জা গোলাম হাফিজ ও আইয়ুব হক কলকাতায় গমন করেন।

একই সময়ে ঠাকুরগাঁও মহকুমার জনগণের মধ্যেও পাকিস্তানে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে আন্দোলন গড়ে ওঠে। ঠাকুরগাঁও হাইস্কুলের কিছু শিক্ষক ও শিক্ষার্থী জনমত সংগঠনে ভূমিকা রাখেন। বাউন্ডারি কমিশনের সিদ্ধান্ত প্রকাশে বিলম্ব হওয়ায় এলাকায় নানা গুজব ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়। এর প্রেক্ষাপটে রুহিয়া এলাকায় মুসলিম লীগ নেতা অ্যাডভোকেট নুরুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যা “রুহিয়া সম্মেলন” নামে পরিচিত। সম্মেলনে অঞ্চলটিকে পাকিস্তানে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানো হয় এবং অন্যথায় অস্থিরতার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট স্বাধীনতা ঘোষণার প্রাক্কালে ১৯৪১ সালের আদমশুমারির ভিত্তিতে ধারণাগত সীমারেখা অনুযায়ী ১৫ আগস্ট পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড়, বোদা ও দেবীগঞ্জে ভারতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং অঞ্চলগুলো ৩ দিনের জন্য ভারতের অন্তর্ভুক্ত থাকে। তবে গভর্নর লর্ড লুই মাউন্টব্যাটেন স্বাধীনতার পূর্বে চূড়ান্ত সীমানা প্রকাশ করেননি। ১৭ আগস্ট র‌্যাডক্লিফ কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হলে দেখা যায় যে উক্ত চারটি থানা ভারতের জলপাইগুড়ি জেলা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পাকিস্তানের দিনাজপুর জেলার অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এর ফলে ১৮ আগস্ট এলাকাগুলোতে ভারতীয় পতাকা নামিয়ে পাকিস্তানি পতাকা উত্তোলন করা হয়।

দেশভাগের ফলে উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যা স্থানান্তর ঘটে এবং উভয় সম্প্রদায়ের বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়। ১৯৪৭-পূর্ব দিনাজপুর জেলার ৩০টি থানার মধ্যে ২০টি (প্রায় ৬৫%) পাকিস্তানে এবং ১০টি (প্রায় ৩৫%) ভারতে অন্তর্ভুক্ত হয়; ভারতের অংশটি পরবর্তীকালে পশ্চিম দিনাজপুর নামে পরিচিত হয়।

পাকিস্তান আমলে ১৯৪৯ সালের ১৫ মার্চ পঞ্চগড় শহরে একটি মুন্সেফ আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৪৯–৫০ সালের দাঙ্গার পর এ অঞ্চলে মুসলিম শরণার্থীর আগমন ঘটে। তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারীর মধ্যবর্তী একটি অংশ ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত বিহার রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল; পরে ভাষাভিত্তিক পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে তা পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম দিনাজপুরে যুক্ত হয়, যা ১৯৯২ সালে ভেঙে উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বিভক্ত হয়।

পরবর্তীতে প্রশাসনিক পুনর্গঠনের ধারাবাহিকতায় ১৯৮০ সালের ১ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও মহকুমার পঞ্চগড়, তেঁতুলিয়া, আটোয়ারী, বোদা ও দেবীগঞ্জ—এই পাঁচটি থানা নিয়ে পঞ্চগড় মহকুমা গঠন করা হয় এবং সদর দপ্তর পঞ্চগড়ে স্থাপিত হয়। প্রথম মহকুমা প্রশাসক ছিলেন সৈয়দ আব্দুর রশিদ (১৯৮০–১৯৮২)। অবশেষে ১৯৮৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পঞ্চগড় মহকুমাকে পূর্ণাঙ্গ জেলায় উন্নীত করা হয় এবং আ.স.ম. আব্দুল হালিম জেলার প্রথম জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

দেশের মোট ৪টি মুক্তাঞ্চলের মধ্যে পঞ্চগড় জেলা ছিল একটি। সীমান্ত পরিবেষ্টিত হওয়ায় ও ভৌগোলিক কারণে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় এ মুক্তাঞ্চলটি যুদ্ধের গতি প্রকৃতি নির্ণয়ে ও পরিকল্পনা প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মুক্তিযুদ্ধের সময় ঠাকুরগাঁও মহকুমার অন্তর্গত পঞ্চগড় জেলা ৬নং সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই সেক্টরটির বেসামরিক উপদেষ্টা হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন তৎকালীন প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম। অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম, অ্যাড. কমরউদ্দিন আহমেদ (এমএলএ), অ্যাড. মোশারফ হোসেন চৌধুরী (এমএলএ), কাজী হাবিবর রহমান, আব্দুল জববার প্রমুখের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা ভারত থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। সেসময় এই এলাকায় ৭টি কোম্পানির অধীনে ৪০টি মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। মুক্তিযোদ্ধা কোম্পানি কমান্ডারদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন মাহবুব আলম, মো. মতিয়ার রহমান, মো. তরিকুল ইসলাম, মো. মোকলেছার রহমান, মো. দুলাল হোসেন, আব্দুর রহমান এবং আব্দুল গণি। এ ছাড়া বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স (বিএলএফ) এর আঞ্চলিক কমান্ডার ছিলেন ছাত্র নেতা নাজিম উদ্দীন আহমেদ।

১৯৭১ সালে ১৭ এপ্রিল পাকবাহিনী পঞ্চগড় দখল করে নেয় এবং পঞ্চগড় শহরে আগুন জ্বালিয়ে দেয় ও নির্বিচারে গণহত্যা চালায়। ২৮ নভেম্বর মিত্রবাহিনীর সহযোগিতায় মুক্তিবাহিনী পাক সেনাদের উপর বেশ জোরালোভাবে আক্রমণ করে। আক্রমণের পর ২৯ নভেম্বর হানাদার মুক্ত হয় পঞ্চগড় সদর উপজেলায়, ১ ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত হয় বোদা উপজেলায়, ২ ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত হয় আটোয়ারী উপজেলায়, ৯ ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত হয় দেবীগঞ্জ উপজেলায় এবং তেঁতুলিয়া উপজেলা সম্পূর্ণ মুক্তাঞ্চল ছিলো।

শিক্ষা

পঞ্চগড় জেলার শিক্ষার হার ৬৩.৬৬%। পঞ্চগড় জেলায় মোট ২২টি কলেজ ও প্রায় ১৮৬৫টি বিদ্যালয় রয়েছে।

উল্লেখ যোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-

মকবুলার রহমান সরকারি কলেজ, সদর

পঞ্চগড় টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, সদর

পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজ, সদর

মির্জা গোলাম হাফিজ সরকারি কলেজ

ডাংগীরহাট সরকারি আদর্শ কলেজ, আটোয়ারী

বোদা সরকারি পাইলট মডেল স্কুল ও কলেজ

ভজনপুর ডিগ্রী কলেজ, তেঁতুলিয়া

দেবীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজ, দেবীগঞ্জ

নাজিরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ, বোদা

তেঁতুলিয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়

পঞ্চগড় বিপি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, সদর

পঞ্চগড় সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সদর

টেপ্রীগঞ্জ হাজীরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, দেবীগঞ্জ

চিলাহাটি প্রমানিকপাড়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, দেবীগঞ্জ

অলদিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, দেবীগঞ্জ

নৃপেন্দ্র নারায়ণ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, দেবীগঞ্জ

শহীদ আবু সাঈদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, দেবীগঞ্জ

চাকলাহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সদর