· মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ · ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ·
নিউজ →
জেলা · রাজশাহী বিভাগ

পাবনা

Pabna

পাবনা জেলার ৯টি উপজেলা

পাবনা জেলা বাংলাদেশের মধ্য ভাগের একটি ঐতিহ্যবাহী জেলা ও প্রশাসনিক অঞ্চল। এ জেলার উত্তর-পশ্চিম কোণে নাটোর, উত্তরে সিরাজগন্জ, পূর্ব দিকে মানিকগন্জ, দক্ষিণ-পূর্বকোণে রাজবাড়ি এবং দক্ষিণ-পশ্চিমকোণে কুষ্টিয়া জেলা অবস্থিত। উপজেলার সংখ্যানুসারে পাবনা বাংলাদেশের একটি “এ” শ্রেণিভুক্ত জেলা। পাবনা জেলা পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত। আর এই জেলার মধ্য দিয়েই বয়ে গিয়েছে ইছামতি নদী। এই জেলার ঈশ্বরদী উপজেলায় ঐতিহাসিক হার্ডিঞ্জ সেতু এর এর পাশেই লালন শাহ সেতু অবস্থিত। মজার বিষয় হলো, বাংলাদেশের সব চেয়ে বড় রেলওয়ে জংশন এই ঈশ্বরদীতেই অবস্থিত।

পদ্মা-যমুনা-আত্রাই-বড়াল বিধৌত এ অঞ্চল একসময় বরেন্দ্র এবং বঙ্গ জনপদের অংশ ছিল। এছাড়া পাবনা জেলা উত্তরবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হওয়ায় মুঘল-ব্রিটিশ স্থাপনা পরিলক্ষিত হয়। পাবনার সরকারি মানসিক হাসপাতাল ভারতীয় উপমহাদেশের একটি ঐতিহাসিক হাসপাতাল। এই জেলার ঈশ্বরদী উপজেলায় গড়ে তোলা হয়েছে রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র যেটি পদ্মা নদীর পাশেই অবস্থিত। এছাড়া এই জেলার টেবুনিয়াতে রয়েছে হর্টিকালচার সেন্টার এবং ঈশ্বরদীতে রয়েছে বাংলাদেশ ডাল গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট। এছাড়াও ঈশ্বরদীতে রয়েছে উত্তরবঙ্গের প্রধান ইপিজেড "ঈশ্বরদী ইপিজেড"।

নামকরণ

নামকরণের ইতিহাস নিয়ে বিভিন্ন মতবাদ আছে। প্রত্নতাত্ত্বিক কানিংহাম অনুমান করেন যে, প্রাচীন রাজ্য পুন্ড্র বা পুন্ড্রবর্ধনের নাম থেকে পাবনা নামের উদ্ভব হয়েছে। পৌন্ড্রবর্ধনের জনপদ গঙ্গার উত্তর দিকে অবস্থিত ছিল। চলতি ভাষায় পুন্ড্রুবর্ধন বা পৌন্ড্রবর্ধন, পোনবর্ধন বা পোবাবর্ধনরূপে উচ্চারিত হতে হতে ‘পাবনা’ হয়েছে।

কিছু ইতিহাসবিদের মতে, ‘পাবনা’ নামটি ‘পদুম্বা’ থেকে এসেছে। কালক্রমে পদুম্বা শব্দটির স্বরসঙ্গতি হয়ে ‘পাবনা’ হয়েছে। ‘পদুম্বা’ জনপদের প্রথম ঐতিহাসিক প্রমাণ পাওয়া যায় খ্রিস্টীয় একাদশ শতকে পাল নৃপতি রামপালের শাসনকাল থেকে। ইতিহাসে উল্লিখিত, রামপাল তার হৃতসাম্রাজ্য বরেন্দ্র কৈবর্ত শাসকদের থেকে পুনরুদ্ধারের করার জন্য ১৪ জন সাহায্যকারীর শরণাপন্ন হয়েছিলেন। তাদেরই একজন ছিলেন জনৈক সামন্তরাজা পদুম্বার সোম। অন্য একটি সূত্রে জানা যায়, পৌন্ড্রবর্ধন থেকে ‘পাবনা’ নামের উৎপত্তি হয়েছে।

এছাড়া পাবনা নামকরণ নিয়ে কারও মতে, ‘পাবন’ বা ‘পাবনা’ নামে একজন দস্যুর আড্ডাস্থল থেকেই একসময় ‘পাবনা’ নামের উদ্ভব হয়। এছাড়াও গঙ্গার পাবনী নামের একটি নদীর মিলিত স্রোতধারার নামানুসারে ‘পাবনা’ নামের উৎপত্তি হয়েছে বলেও অনেকে মনে করেন।

ইতিহাস

১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ অক্টোবর স্বতন্ত্র জেলা হিসেবে পাবনা স্বীকৃতি লাভ করে। ১৭৯০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে জেলার বেশির ভাগ অংশ রাজশাহী জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। তখনকার দিনে এসব এলাকায় সরকারের দায়িত্বপূর্ণ কর্মচারীদের খুব অভাব ছিল। পুলিশের অযোগ্যতা এবং জমিদারদের পক্ষ থেকে ডাকাতি ঘটনার তথ্য গোপন রাখা বা এড়িয়ে যাওয়া হতো। গ্রামাঞ্চলে ডাকাতেরা দলে দলে ঘুরে বেড়াত। চলনবিল এলাকায় জলদস্যুদের উপদ্রব চলছিল দীর্ঘ দিন ধরে। এদের প্রতিরোধ করতে ও শাসনতান্ত্রিক সুবন্দোবস্তের জন্যে কোম্পানি সরকারের মন্তব্য অনুসারে পাবনায় সামগ্রিক ভাবে ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দে জয়েন্ট ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়। ১৮৩২ খ্রিষ্টাব্দে তা স্থায়ী রূপ লাভ করে এবং তাকে স্বতন্ত্র ডিপুটি কালেক্টর রুপে নিয়োগ করা হয়।

রাজশাহী জেলার ৫টি থানা ও যশোর জেলার ৩টি থানা নিয়ে সর্বপ্রথম পাবনা জেলা গঠিত হয়। সময় সময় এর এলাকা ও সীমানার পরিবর্তন ঘটেছে। ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দের ২১ নভেম্বর যশোরের খোকসা থানা পাবনা ভুক্ত করা হয়। অন্যান্য থানাগুলোর মধ্যে ছিল রাজশাহীর খেতুপাড়া, মথুরা, শাহজাদপুর, রায়গঞ্জ ও পাবনা। ‘যশোরের চারটি থানা ধরমপুর, মধুপুর, কুষ্টিয়া ও পাংশা’। তখন পশ্চিম বাংলার মালদহ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ ডব্লিউ মিলস জয়েন্ট ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিযুক্ত হন পাবনায়। ১৮৩৭ খ্রিষ্টাব্দে সেশন জজের পদ সৃষ্টি হলে এ জেলা রাজশাহীর দায়রা জজের অধীনে যায়। ১৮৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ অক্টোবর জেলার পূর্ব সীমা নির্ধারন করা হয় যমুনা নদী। ১২ জানুয়ারি ১৮৫৫ খ্রিষ্টাব্দে সিরাজগঞ্জ থানাকে মোমেনশাহী জেলা থেকে কেটে নিয়ে ১৮৬৬ খ্রিষ্টাব্দে মহকুমায় উন্নীত করে পাবনা ভুক্ত করা হয়। নিযুক্ত করা হয় ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। এর ২০ বছর পর রায়গঞ্জ থানা এ জেলায় সামিল হয়।

নীল বিদ্রোহ চলাকালে শান্তি শৃংখলার অবনতি হলে লর্ড ক্যানিং ১৮৫৯ খ্রিষ্টাব্দে জেলায় একজন কালেক্টর নিযুক্ত করেন। এর আগে ১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দে জেলা প্রশাসক হয়ে আসেন টি.ই. রেভেন্স। ১৮৬৯ খ্রিষ্টাব্দে সিরাজগঞ্জ ও ১৮৭৬ খ্রিষ্টাব্দে পাবনায় মিউনিসিপ্যালিটি গঠিত হয়। ১৮৮৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রবর্তিত হয় জেলা বোর্ড। যখন কোম্পানি শাসনের অবসান ঘটে তখন স্বভাবতই এ জেলা ১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সম্রাজ্ঞী মহারাণী ডিক্টোরিয়ার শাসনাধীনে চলে যায়। ১৮৫৯ খ্রিষ্টাব্দে পাংশা, খোকসা ও বালিয়াকান্দি এই তিনটি থানা নিয়ে পাবনার অধীনে কুমারখালী মহকুমা গঠন করা হয়। ১৮৬৩ খ্রিষ্টাব্দে কুষ্টিয়া থানা এ জেলা হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে নদীয়া জেলার অন্তর্ভুক্ত হয়। ১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দের মে মাসে পাংশা থানা ফরিদপুর জেলার গোয়ালন্দ মহকুমায় এবং কুমারখালী থানা কুষ্টিয়া মহকুমার সাথে সংযুক্ত করা হয়। এ ভাবে এ জেলার দক্ষিণ সীমানা হয় পদ্মা নদী। ১৮৫৫ খ্রিষ্টাব্দে কুমারখালী থানা সৃষ্টি হলে তা ১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দে পাবনার একটি মহকুমা হয়। ১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দে মহকুমা অবলুপ্ত করে কুষ্টিয়া মহকুমার অংশ করা হয়। ১৮৭৯ খ্রিষ্টাব্দে জজ আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়। এর আগে কয়েকটি থানা বদলে যায়। ১৯৮৪ সালে সিরাজগঞ্জ মহকুমাকে আলাদা জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

অবস্থান ও আয়তন

বাংলাদেশে অবস্থিত পাবনা জেলা রাজশাহী বিভাগের দক্ষিণ-পূর্ব কোণ সৃষ্টি করেছে। এটি ২৩°৪৮′ হতে ২৪°৪৭′ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°০২′ হতে ৮৯°৫০′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত।

এর উত্তরে নাটোর জেলা ও সিরাজগঞ্জ জেলা,

দক্ষিণে পদ্মা নদী, রাজবাড়ী জেলা ও কুষ্টিয়া জেলা,

পূর্বে মানিকগঞ্জ জেলা ও যমুনা নদী,

পশ্চিমে পদ্মা নদী, নাটোর জেলা ও কুষ্টিয়া জেলা। পাবনার আমিনপুর থানার দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে এসে পদ্মা ও যমুনা নদী পরস্পর মিলিত হয়েছে।

জনসংখ্যা

পাবনা জেলার মোট জনসংখ্যা ২৯,০৯,৬২৪জন (২০২২)।

অন্যান্য ০.১৬%।

সাধারণ তথ্যাবলী

থানার সংখ্যা- ১১টি ( ক. সুজানগর খ. সাথিঁয়া গ. পাবনা সদর ঘ. বেড়া ঙ. চাটমোহর চ. ভাঙ্গুড়া ছ. ঈশ্বরদী জ. ফরিদপুর ঝ. আটঘরিয়া ঞ. আতাইকুলা ট. আমিনপুর)

ডাকবাংলো ও রেস্ট হাউজ- ১৬ টি

নদী বন্দর- ৪ টি (রূপপুর, নগরবাড়ী,কাজিরহাট, নাজিরগঞ্জ)

সর্বমোট প্রাথমিক বিদ্যালয়- ১১৩৬ টি

সর্বমোট মাধ্যমিক বিদ্যালয়- ৩২৮ টি

সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ঃ ৩ টি

বেসরকারী স্কুল এন্ড কলেজ- ৩৩টি

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়- ১ টি

কমার্শিয়াল ইনস্টিটিউট- ১ টি

পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট- ১ টি

টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট- ১ টি

প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষক ইনস্টিটিউট- ১ টি

ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট- ১ টি

সেবিকা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র- ১ টি

নির্বাচনী এলাকা

(৬৮) পাবনা ১ (সাঁথিয়া উপজেলা )

(৬৯) পাবনা ২ (বেড়া উপজেলা-সুজানগর উপজেলা)

(৭০) পাবনা ৩ (চাটমোহর উপজেলা-ফরিদপুর উপজেলা-ভাঙ্গুড়া উপজেলা)

(৭১) পাবনা ৪ (ঈশ্বরদী উপজেলা-আটঘরিয়া উপজেলা)

(৭২) পাবনা ৫ (পাবনা সদর উপজেলা)

যোগাযোগ ব্যবস্থা

পাবনা জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা সড়ক, রেল, নৌ ও আকাশপথ—এই চারটি মাধ্যমের মাধ্যমে গড়ে উঠেছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে জেলা উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। জাতীয় মহাসড়ক, বিস্তৃত রেল নেটওয়ার্ক এবং পদ্মা–যমুনা নদীকেন্দ্রিক নৌপথের মাধ্যমে জেলার সঙ্গে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে।

পাবনা জেলার প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম সড়কপথ। জেলার মধ্য দিয়ে জাতীয় মহাসড়ক N6 (রাজশাহী–পাবনা–নগরবাড়ী) এবং N5 (ঢাকা–বগুড়া মহাসড়ক)-এর সঙ্গে সংযোগকারী আঞ্চলিক সড়ক অতিক্রম করেছে। পাবনা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা, কুষ্টিয়া, যশোর, বগুড়া, রংপুর, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় নিয়মিত দূরপাল্লার বাস চলাচল করে।

ঢাকা থেকে পাবনার দূরত্ব প্রায় ২০৮ কিলোমিটার। সাধারণত ঢাকা–গাজীপুর–টাঙ্গাইল–সিরাজগঞ্জ–পাবনা সড়কপথ ব্যবহার করে জেলায় পৌঁছানো যায়।

পাবনা জেলার রেল যোগাযোগ বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রেল নেটওয়ার্কের অংশ। জেলার পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত ঈশ্বরদী জংশন রেলওয়ে স্টেশন দেশের বৃহত্তম ও গুরুত্বপূর্ণ রেল জংশনগুলোর একটি। এই জংশন থেকে উত্তরাঞ্চল, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এবং রাজধানী ঢাকাগামী আন্তঃনগর, মেইল ও কমিউটার ট্রেন চলাচল করে। এছাড়া পাকশী রেলওয়ে সেতু (হার্ডিঞ্জ ব্রিজ) ও লালন শাহ সেতুর নিকটবর্তী হওয়ায় ঈশ্বরদী বাংলাদেশের রেল যোগাযোগে কৌশলগত গুরুত্ব বহন করে।

পাবনা শহরের নিকটে অবস্থিত পাবনা রেলওয়ে স্টেশন জেলার প্রধান যাত্রীবাহী রেলস্টেশন। পাবনা–ঢালারচর রেলপথ নির্মাণের মাধ্যমে জেলার পূর্বাঞ্চলের রেল যোগাযোগের সম্প্রসারণ ঘটে। ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঢালারচর এক্সপ্রেস ট্রেনের উদ্বোধন করেন। বর্তমানে ট্রেনটি ঢালারচর–রাজশাহী–ঢালারচর রুটে নিয়মিত আন্তঃনগর সেবা প্রদান করছে।

পাবনা জেলার রেলওয়ে স্টেশনসমূহ

ঈশ্বরদী জংশন রেলওয়ে স্টেশন

মাঝগ্রাম জংশন রেলওয়ে স্টেশন

বড়ালব্রীজ রেলওয়ে স্টেশন

দাশুড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন

সাঁথিয়া রাজাপুর রেলওয়ে স্টেশন

কাশিনাথপুর রেলওয়ে স্টেশন

পদ্মা ও যমুনা নদীবেষ্টিত হওয়ায় পাবনা জেলার নৌ যোগাযোগের দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। জেলার গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দর ও ঘাটসমূহের মাধ্যমে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন পরিচালিত হয়। আরিচা–কাজিরহাট নৌরুটে নিয়মিত লঞ্চ, ফেরি ও স্পিডবোট চলাচল করে। ঢাকা থেকে মানিকগঞ্জের আরিচা ঘাট হয়ে নৌপথে কাজিরহাট ঘাটে পৌঁছে সেখান থেকে সড়কপথে পাবনা শহরে যাওয়া যায়। এছাড়া পদ্মা, যমুনা, বড়াল, ইছামতী ও হুরাসাগর নদীপথে জেলার বিভিন্ন স্থানের মধ্যে স্থানীয় নৌযান চলাচল করে।

পাবনা জেলার একমাত্র বিমানবন্দর ঈশ্বরদী বিমানবন্দর। অতীতে এখান থেকে ঢাকা ও অন্যান্য গন্তব্যে অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল পরিচালিত হলেও ২০১৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে নিয়মিত যাত্রীবাহী ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে বিমানবন্দরটি বাণিজ্যিক যাত্রী পরিবহনে ব্যবহৃত হয় না।

ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র

ঈশ্বরদী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল

আজিম চৌধুরীর জমিদার বাড়ি

হান্ডিয়াল জগন্নাথ মন্দির

চন্দ্রনাথ সেনের জমিদার বাড়ি

শ্রী শ্রী অনুকূলচন্দ্রের আশ্রম

শহীদনগর মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ভাস্কর্য "বীর বাঙালি"

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

সরকারি এডওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ

পাবনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ

পাবনা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট

সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, পাবনা

সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, পাবনা

শহীদ এম মনসুর আলী কলেজ, পাবনা

কাশিনাথপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজ

ডাঃ জহুরুল কামাল সরকারি কলেজ, দুলাই