- ভোজ্যতেল, পেঁয়াজ, আদা, রসুনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার তদারকি করা হয়।
- অভিযানে ১০১ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে মোট ৭ লাখ ৯৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
- ভোক্তাদের হটলাইন ১৬১২১-এ অভিযোগ জানানোর আহ্বান জানানো হয়।
- রোববার ৫২টি বিশেষ দল ৩৬ জেলায় অভিযান চালায়।
- ভোজ্যতেল, পেঁয়াজ, আদা, রসুনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার তদারকি করা হয়।
- অভিযানে ১০১ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে মোট ৭ লাখ ৯৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
- ভোক্তাদের হটলাইন ১৬১২১-এ অভিযোগ জানানোর আহ্বান জানানো হয়।
ভোজ্যতেল ও মসলাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, কৃত্রিম সংকট ও অনিয়ম ঠেকাতে দেশজুড়ে কঠোর নজরদারি জোরদার করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
আরও পড়ুনছাত্রদল নেতাসহ ৫ জন গ্রেফতার, ২১৭ বোতল ভারতীয় মদ জব্দরোববার (২৫ অক্টোবর) অধিদপ্তরের ৫২টি বিশেষ দল দেশের ৩৬টি জেলায় একযোগে অভিযান পরিচালনা করে। বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ১০১টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে মোট ৭ লাখ ৯৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল ভোজ্যতেল, পেঁয়াজ, আদা, রসুনসহ রান্নার প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা রোধ করা।
অভিযানকালে ব্যবসায়ীদের মূল্যতালিকা প্রদর্শন, ডিজিটাল ওজনে পণ্য বিক্রি এবং ক্রয়-বিক্রয়ের যথাযথ নথিপত্র সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে অযৌক্তিক মজুদদারি ও পণ্যের সরবরাহ বাধাগ্রস্ত করার মতো অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়।
অভিযানে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্বাস্থ্য পরিদর্শক, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এবং বণিক সমিতির প্রতিনিধিরা সহযোগিতা করেন।
ভোক্তাদের আতঙ্কিত হয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পণ্য কেনা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে অধিদপ্তর। কেনাকাটার সময় পণ্যের মেয়াদ ও সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) যাচাই এবং অবশ্যই ক্যাশমেমো বা ক্রয়ভাউচার সংগ্রহের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পণ্য কেনাবেচায় প্রতারণা, মূল্য কারসাজি বা অন্য কোনো অনিয়মের শিকার হলে অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১ নম্বরে অভিযোগ জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। বাজারে পণ্যের স্বাভাবিক সরবরাহ ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের তদারকি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।
তথ্যসূত্র: ঢাকা পোস্ট, জাগো নিউজ, চ্যানেল ২৪, ইত্তেফাক






