· মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ · ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ·
নিউজ →
জেলা · সিলেট বিভাগ

মৌলভীবাজার

Moulvibazar

মৌলভীবাজার জেলার ৭টি উপজেলা

মৌলভীবাজার জেলা বাংলাদেশের উত্তর -পূর্বাঞ্চলের সিলেট বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এটি বাংলাদেশের একটি “এ” শ্রেণীভুক্ত জেলা।

অবস্থান ও আয়তন

উত্তরে সিলেট জেলা, দক্ষিণে ভারতের ত্রিপুরা, পূর্বে ভারতের আসাম ও ত্রিপুরা, পশ্চিমে হবিগঞ্জ জেলা। জেলার প্রধান নদ-নদী ৬ (ছয়)টি- মনু, বরাক, ধলাই, সোনাই, জুড়ী ও কুশিয়ারা।

প্রশাসনিক এলাকাসমূহ

মৌলভীবাজার জেলা ৭টি উপজেলা, ৭টি থানা, ৫টি পৌরসভা, ৬৭টি ইউনিয়ন, ৮৯৯টি মৌজা, ২০১৫টি গ্রাম ও ৪টি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত।

মৌলভীবাজার জেলায় মোট ৭টি উপজেলা রয়েছে। উপজেলাগুলো হল:

ইতিহাস

শাহ মোস্তফা-এর বংশধর মৌলভী সৈয়দ কুদরতউল্লাহ অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি মনু নদীর উত্তর তীরে কয়েকটি দোকানঘর স্থাপন করে ভোজ্যসামগ্রী ক্রয় বিক্রয়ের সুযোগ সৃষ্টি করেন। মৌলভী সৈয়দ কুদরতউল্লাহ প্রতিষ্ঠিত এ বাজারে নৌ ও স্থলপথে প্রতিদিন লোকসমাগম বৃদ্ধি পেতে থাকে। ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগমের মাধ্যমে মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে মৌলভীবাজারের খ্যাতি।

কীর্তিমান ব্যক্তিত্ব : হয়রত শাহ মোস্তফা (র:), মৌলভী সৈয়দ কুদরতউল্লাহ, মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী হামিদুর রহমান,কবি মুজাফফর খান, সৈয়দ মুজতবা আলী, প্রাক্তন প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদ সদস্য, খ্যাতিমান রাজনীতিবিদ ও দানশীল ব্যক্তিত্ব মো. কেরামত আলী,পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সর্বকনিষ্ঠ সদস্যমোহাম্মদ মুহিবুর রহমান [১], জাতীয় পরিষদ সিলেটের প্রথম মহিলা সদস্য বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী, সাবেক স্পীকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী, অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান, গবেষক ড. রঙ্গলাল সেন প্রমুখ।

মুক্তিযুদ্ধ : মুক্তিযুদ্ধে মৌলভীবাজার ছিল ৪ নং সেক্টরের অধীন। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন সি.আর.দত্ত। মৌলভীবাজার সদরের ঘরোয়া গ্রামের হত্যাকাণ্ড, নড়িয়া গ্রামের গণহত্যা, রাজনগর পাঁচগাঁও এর গণহত্যা, বড়লেখা ও কুলাউড়ার বধ্যভূমিতে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ আজও মানুষকে কাঁদায়। ৮ ডিসেম্বর মৌলভীবাজার শত্রুমুক্ত হয়।

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি

শাহ মোস্তফা- সিলেট বিজয়ের যোদ্ধা

লুৎফুর রহমান বর্ণভী-বাংলাদেশি দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত।

সৈয়দ মুজতবা আলী- সাহিত্যিক।

খান বাহাদুর সৈয়দ আবদুল মজিদ- রাজনীতিবিদ

ডা. শফিকুর রহমান এমপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা।

সৈয়দ মুর্তাজা আলী - ইতিহাসবিদ।

মো. কেরামত আলী - ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ ও দানশীল ব্যক্তিত্ব

আজিজুর রহমান (রাজনীতিবিদ)- স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত।

আব্দুল মুত্তাকিম চৌধুরী-পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য

বিপ্লবী লীলা দত্ত নাগ- ঢাবির প্রথম ছাত্রী।

নবাব আলী আমজাদ - বিখ্যাত জমিদার ও সমাজসেবক।

মহাকবি শেখ চান্দ- মধ্যযুগের বিখ্যাত কবি।

এম. সাইফুর রহমান- রাজনীতিবিদ।

ডক্টর রঙ্গলাল সেন- জাতীয় অধ্যাপক ও সমাজবিজ্ঞানী।

গৌরীশঙ্কর ভট্টাচার্য -সাংবাদিক

দ্বিজেন শর্মা - সাহিত্যিক ও নিসর্গবিদ।

আতাউল করিম - বিশ্ববিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী।

বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা- বাংলাদেশের প্রথম নারী বিচারপতি।

চৌধুরী গোলাম আকবর সাহিত্যভূষণ- সাহিত্যিক ও লোকগীতি সংগ্রাহক।

ডক্টর আবেদ চৌধুরী- জিনবিজ্ঞানী।

মোহাম্মদ মুহিবুর রহমান- পাকিস্তান ৩য় জাতীয় পরিষদের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য

সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ - রাজনীতিবিদ এবং ডাকসুর সাবেক ভিপি।

সৈয়দ মহসিন আলী - রাজনীতিবিদ।

এ. এন. এম. ইউসুফ - রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক।

রামরঞ্জন ভট্টাচার্য -শহীদ বুদ্ধিজীবী

মুন্সি আশরাফ হোসেন সাহিত্যরত্ন- লোকসাহিত্য গবেষক।

উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ- কৃষিমন্ত্রী,সাবেক চীফ হুইপ

সুরেন্দ্র কুমার সিনহা - সাবেক প্রধান বিচারপতি।

নুরুন্নাহার ফাতেমা বেগম - চিকিৎসাবিদ।

শাহাব উদ্দিন- পরিবেশ,বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী

মোফাজ্জল করিম- কবি ও জনপ্রশাসন কর্মকর্তা

গোপীনাথ দত্ত -বাংলা মহাভারত রচয়িতাদের অন্যতম।

তাজুল মোহম্মদ- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক লেখক ও গবেষক

মতিউর রহমান চৌধুরী - প্রখ্যাত সাংবাদিক।

নবাব আলী হায়দার খান- আসামের কৃষিমন্ত্রী

মেজর জেনারেল ইসমাইল ফারুক চৌধুরী- বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক সামরিক প্রকৌশলী প্রধান

এবাদুর রহমান চৌধুরী- সাবেক প্রতিমন্ত্রী

এবাদত হোসেন- বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার

রোশনারা মনি- ব্রিটিশ অভিনেত্রী ও গায়িকা

সৈয়দ মোহাম্মদ আলী-বাংলাদেশে ইংরেজি সাংবাদিকতার পথিকৃৎ।

দেওয়ান আব্দুল বাসেত - রাজনীতিবিদ

জাবেদ ইমাম অপু - ছাত্ররাজনীতিবিদ ও তরুণ উদ্যোক্তা।

অর্থনীতি

মৌলভীবাজার এর অর্থনীতির প্রধান ভীত হলো চা শিল্প ও রাবার শিল্প। এ জেলায় প্রচুর পরিমানে চা ও রাবার উৎপাদিত হয়। এ ছাড়াও জেলার অর্থনীতিতে পর্যটন শিল্পও বিশেষ ভাবে উল্ল্যেখযোগ্য, তা ছাড়াও এখানে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ধরনের ছোট বড় শিল্প(সংখ্যায় যদিও অনেক সীমিত)- যা মৌলভীবাজার জেলার অর্থনীতিকে করছে সমৃদ্ধশালী।

চিত্তাকর্ষক স্থান

চা কন্যা ভাষ্কর্য, সাতগাঁও, মৌলভীবাজার।

মাধবকুন্ড জলপ্রপাত, বড়লেখা

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, কমলগঞ্জ

মাগুরছড়া পুঞ্জি, কমলগঞ্জ

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্মৃতিস্তম্ভ, কমলগঞ্জ;

মো. কেরামত আলী জামে মসজিদ, কমলগঞ্জ

গ্রান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এন্ড গলফ ক্লাব, শ্রীমঙ্গল।

নবাব আলী আমজদের বাড়ি, কুলাউড়া

গাছপীর আব্রু মিয়ার মাজার - সিরাজনগর

ইউনুছ পাগলার মাজার - সাতগাঁও বাজার, শ্রীমঙ্গল।

খাজার টিলা - হযরত শাহ মনজুর আলী রহঃ মাজার সিন্দুরখান, শ্রীমঙ্গল।

হযরত খরমশাহ মাজার পাচাউন, মির্জাপুর। ৩০০ বছরের পুরোনো মাজার।

শ্রীশ্রী ঠাকুরবাণীর শ্রীধাম • (হরিস্মরণ, মুন্সীবাজার, কমলগঞ্জ) •

শাহ মোস্তফা -এর মাজার - মৌলভীবাজার শহরের কেন্দ্রস্থলের বেড়ীরপাড়ের দক্ষিণ তীর;

রাজা সুবিদ নারায়ণ - রাজনগরের শেষ রাজা।

ঐতিহাসিক কমলারানীর দিঘি, রাজনগর।

খাজা ওসমান - সপ্তদশ শতকের বাংলার শেষ পাঠান সেনাপতি;

হযরত খাজা শাহ হাছন আলী চিশতী রহঃ মাজার লাহারপুর, শ্রীমঙ্গল।

জান্নাতুল ফেরদাউস কম্পলেক্স, শ্রীমঙ্গল।

জিলাদপুর তিন গম্ভুজ গায়েবি মসজিদ।

বৈকন্ঠ সাধুর জোরা তমাল তলা মন্দির - সাতগাঁও রুস্তুমপুর।

অজ্ঞান ঠাকুরের দেয়াল- অন্তেহরি, রাজনগর।

ম্যানগ্রোভ ভিলেজ- অন্তেহরি, রাজনগর।

বাইক্কা বিল - কালাপুর।

বধ্যভূমি - শ্রীমঙ্গল।

পুরান গাঁও পাল বাড়ি প্রাচীন মন্দির, সাতগাঁও স্থাপিত সন ১২৫২

নির্মাই শিব বাড়ি আশিদ্রোন

সিলেট বিভাগের অন্য জেলা