- রুশ ড্রোন হামলায় বাম পা হারান; পরে নিজেই জখম ডান পা কেটে ফেলেন।
- দূরনিয়ন্ত্রিত বড় ড্রোনে বেল্ট ও ক্যারেবিনারের সাহায্যে তাঁকে ১৫ কিলোমিটার দূরে সরিয়ে নেওয়া হয়।
- সামরিক বাহিনীর তথ্য ও ড্রোনের ফুটেজ দেখে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে রয়টার্স।
- ৪৯ বছর বয়সী সেনা কোস্তিয়ান্তিন ভ্লাসেনকো দীর্ঘ আট মাস আটকে থাকার পর উদ্ধার হয়েছেন।
- রুশ ড্রোন হামলায় বাম পা হারান; পরে নিজেই জখম ডান পা কেটে ফেলেন।
- দূরনিয়ন্ত্রিত বড় ড্রোনে বেল্ট ও ক্যারেবিনারের সাহায্যে তাঁকে ১৫ কিলোমিটার দূরে সরিয়ে নেওয়া হয়।
- সামরিক বাহিনীর তথ্য ও ড্রোনের ফুটেজ দেখে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে রয়টার্স।
ইউক্রেনের যুদ্ধকবলিত খারকিভ অঞ্চলের একটি বিধ্বস্ত স্কুলের বয়লার হাউসের নিচে দীর্ঘ আট মাস আটকে পড়েছিলেন সেনা কোস্তিয়ান্তিন ভ্লাসেনকো। চারপাশে রাশিয়ান ড্রোনের নজরদারি ও চিকিৎসার সুযোগ না থাকায় জীবন বাঁচাতে নিজের একমাত্র ভালো পাটি কেটে ফেলতে বাধ্য হন তিনি।
আরও পড়ুন৫৮ সন্তানের বাবা মোহাম্মদ সাদিকের নাম মনে রাখতে না পারার গল্পচলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় বাম পা হারান ভ্লাসেনকো। একই হামলায় তাঁর ডান পা ভেঙে বাঁকা হয়ে যায়। প্রায় তিন মাস পর একটি ছুরি দিয়ে নিজের জখম পা কেটে রক্তপাত বন্ধ করতে টুরনিকেট পেঁচিয়ে নেন।
গত ৪ অক্টোবর দীর্ঘ ৪৯১ দিন ফ্রন্টলাইনে কাটানোর পর এক নাটকীয় উদ্ধার অভিযানে তাঁকে মুক্ত করা হয়। দূরনিয়ন্ত্রিত ছয় প্রপেলারযুক্ত একটি সুবিশাল ড্রোনের মাধ্যমে বেল্ট ও ক্যারেবিনারের সাহায্যে তাঁকে ১৫ কিলোমিটার দূরে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেওয়া হয়।
ইউক্রেনীয় সামরিক কমান্ডারের মতে, আধুনিক যুদ্ধের ইতিহাসে কোনো আহত সেনাকে আকাশপথে ড্রোন ব্যবহার করে উদ্ধার করার এটিই প্রথম ঘটনা। পূর্ব ইউক্রেনের এই অঞ্চলকে সেনা পরিভাষায় বলা হয় 'কিল জোন' বা মৃত্যুপুরী।
খারকিভ শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়টার্সকে ভ্লাসেনকো বলেন, 'আমি তো নিজেকে একপ্রকার কবরই দিয়ে দিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম আর কোনো আশাই নেই।'
ভ্লাসেনকো ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীর ৩০তম মেকানাইজড ব্রিগেডের সদস্য। গত বছর মে মাসে তাঁকে খারকিভ অঞ্চলে সহযোদ্ধা 'বাস্কি'র সঙ্গে ফ্রন্টলাইন পজিশনে পাঠানো হয়েছিল।
শরতের দিকে তাঁদের পরিবর্তে অন্য সেনাদের পাঠানোর চেষ্টা করা হলে রাশিয়ার হামলায় নতুন দুই সেনা নিহত হন। পরে ফেব্রুয়ারিতে বাঙ্কার প্লাবিত হলে তাঁরা বিধ্বস্ত স্কুলে আশ্রয় নেন; সেখানে রুশ ড্রোন হামলায় বাস্কি নিহত হন এবং ভ্লাসেনকো পা হারান।
আজকের পত্রিকা, প্রথম আলো ও জাগো নিউজের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ঘটনার সত্যতা যাচাই করেছে রয়টার্স।
তথ্যসূত্র: আজকের পত্রিকা, প্রথম আলো, জাগো নিউজ, চ্যানেল ২৪, ইত্তেফাক






