- গত ১৩ অক্টোবর ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ওয়াহিদুজ্জামান শামীম গণপিটুনির শিকার হয়ে হাসপাতালে মারা যান।
- এ ঘটনায় শামীমের ভাই মামলা করলে আমিনীকে প্রধান আসামি করা হয়; এর আগে আরও দুই আসামি গ্রেপ্তার হয়।
- নিহত শামীম দেবহাটা উপজেলার বাসিন্দা এবং পুলিশ তাকে প্রথমে উদ্ধার করলেও পরে হাসপাতাল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যা করা হয়।
- শনিবার রাতে কালীগঞ্জ থেকে যৌথ অভিযানে ফজলুল হক আমিনীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ও এসআরবি।
- গত ১৩ অক্টোবর ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ওয়াহিদুজ্জামান শামীম গণপিটুনির শিকার হয়ে হাসপাতালে মারা যান।
- এ ঘটনায় শামীমের ভাই মামলা করলে আমিনীকে প্রধান আসামি করা হয়; এর আগে আরও দুই আসামি গ্রেপ্তার হয়।
- নিহত শামীম দেবহাটা উপজেলার বাসিন্দা এবং পুলিশ তাকে প্রথমে উদ্ধার করলেও পরে হাসপাতাল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যা করা হয়।
সাতক্ষীরার দেবহাটায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ওয়াহিদুজ্জামান শামীম নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার মামলার প্রধান আসামি ফজলুল হক আমিনীকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের এক আত্মীয়ের বাসা থেকে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুনকক্সবাজার রিসোর্ট অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০, ম্যানেজার পুলিশ হেফাজতেগ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহীন। তিনি জানান, দেবহাটা সার্কেল, কালীগঞ্জ থানা, দেবহাটা থানা ও এসআরবি-৬-এর সদস্যরা যৌথ অভিযানের মাধ্যমে আমিনীকে আটক করেন। সাতক্ষীরার পুলিশ সুপারও এক ক্ষুদেবার্তায় গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেন।
ঘটনাটি ঘটে গত ১৩ অক্টোবর। ওইদিন দেবহাটা উপজেলায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে ওয়াহিদুজ্জামান শামীম (৩৮) গণপিটুনির শিকার হন। প্রথম দফায় তাকে মারধরের পর পুলিশ উদ্ধার করে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। কিন্তু রাতে একদল লোক হাসপাতালে ঢুকে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে আবারও মারধর করে। গুরুতর আহত অবস্থায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
নিহত শামীম দেবহাটা উপজেলার সুবর্ণাবাদ গ্রামের শামছুর রহমান সানার ছেলে। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যে বলা হয়, ধর্ম অবমাননার অভিযোগে তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
এ ঘটনায় শামীমের বড় ভাই আব্দুল জলিল সানা বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে দেবহাটা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ফজলুল হক আমিনীকে প্রধান আসামি করে ১০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা ২০০ থেকে ২৫০ জনকে আসামি করা হয়।
মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় পাঁচ ও ছয় নম্বর আসামি মোক্তার হোসেন খান (৫৩) ও আসাদুল ইসলাম মোল্যাকে (৪৬) আগেই গ্রেপ্তার করে। তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এবার মামলার প্রধান আসামি আমিনীকে গ্রেপ্তার করা হলো।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। এই ঘটনায় দেবহাটা থানায় ১৫ অক্টোবর হত্যা মামলা করা হয়েছিল।
তথ্যসূত্র: ঢাকা পোস্ট, চ্যানেল ২৪, প্রথম আলো, আজকের পত্রিকা, বাংলা ট্রিবিউন






