- কিন্তু দুর্নীতি দমন কমিশনের হিসাবে, কর্মীরা দিয়েছেন তার কয়েক গুণ।
- কীভাবে লাখো কর্মীর কাছ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা বাড়তি নেওয়া হলো, আর এখন কী হচ্ছে।
- দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, দুই লাখ সাতষট্টি হাজারের বেশি কর্মীর কাছ থেকে নির্ধারিত খরচের বাইরে আদায় করা হয়েছে প্রায় চার হাজার পাঁচশো পঁয়তাল্লিশ কোটি টাকা।
মালয়েশিয়া যেতে সরকার নির্ধারিত খরচ ছিল আটাত্তর হাজার নয়শো নব্বই টাকা। কিন্তু দুর্নীতি দমন কমিশনের হিসাবে, কর্মীরা দিয়েছেন তার কয়েক গুণ। মালয়েশিয়া সিন্ডিকেট। কীভাবে লাখো কর্মীর কাছ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা বাড়তি নেওয়া হলো, আর এখন কী হচ্ছে। দেখুন কালারস অব বাংলাদেশে। দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, দুই লাখ সাতষট্টি হাজারের বেশি কর্মীর কাছ থেকে নির্ধারিত খরচের বাইরে আদায় করা হয়েছে প্রায় চার হাজার পাঁচশো পঁয়তাল্লিশ কোটি টাকা।
আরও পড়ুনযুক্তরাজ্যে আশ্রয় জালিয়াতি: গ্রেপ্তার বাংলাদেশি সংগীতশিল্পী সাজ্জাদ মিয়া জামিনেঅভিযোগ অনুযায়ী কাঠামোটা ছিল এমন। হাতে গোনা কিছু এজেন্সিকে কর্মী পাঠানোর একচেটিয়া সুযোগ, তাদের মাধ্যমে বাকি এজেন্সির কাছে কোটা বিক্রি, আর শেষে সেই খরচ চাপানো কর্মীর ঘাড়ে। এরপর ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়। একশো এজেন্সি আর দুইশো বত্রিশ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। দুই হাজার ছাব্বিশ সালের জুলাইয়ে বাতিল হয়েছে উনপঞ্চাশটি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন বলছে, মালয়েশিয়ার নিয়োগকর্তাদের পক্ষ থেকে কর্মীপ্রতি খরচ বহনের কথা থাকলেও, অনেক কর্মী নিজের পকেট থেকে দিয়েছেন সাড়ে চার থেকে ছয় লাখ টাকা পর্যন্ত।
মালয়েশিয়া যেতে চাইলে মনে রাখুন। শুধু বিএমইটি অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে যান, সব টাকার রসিদ নিন, আর চুক্তিপত্র বুঝে সই করুন। অভিযোগ থাকলে হেল্পলাইন এক ছয় এক তিন পাঁচে জানান। প্রবাসীর ঘামের টাকা যেন আর কোনো সিন্ডিকেটের পকেটে না যায়। এই খবর শেয়ার করুন, আর সাবস্ক্রাইব করুন কালারস অব বাংলাদেশ।
পুরো ভিডিও প্রতিবেদন দেখুন উপরের ভিডিওতে, অথবা কালারস অব বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেলে।
সূত্র: দুর্নীতি দমন কমিশন, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়, বিএমইটি, ব্লুমবার্গ। অভিযুক্তদের বিচার চলমান; আদালতে দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী বলা হয়নি।






