ইরান যুদ্ধে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বিপর্যয়
- ইরান যুদ্ধ এবং অঞ্চলজুড়ে বাড়তে থাকা উত্তেজনায় সেই সরবরাহ ব্যবস্থা এখন বড় বিপর্যয়ের মুখে।
- লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগরের মতো গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় জ্বালানির বাজারে নতুন করে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
- আলজাজিরার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বিশ্বে ব্যবহৃত জ্বালানির প্রায় ৮১ শতাংশ আসে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে।
বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র মধ্যপ্রাচ্য। ইরান যুদ্ধ এবং অঞ্চলজুড়ে বাড়তে থাকা উত্তেজনায় সেই সরবরাহ ব্যবস্থা এখন বড় বিপর্যয়ের মুখে। লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগরের মতো গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় জ্বালানির বাজারে নতুন করে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
আলজাজিরার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বিশ্বে ব্যবহৃত জ্বালানির প্রায় ৮১ শতাংশ আসে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে। এর মধ্যে খনিজ তেল ৩১ দশমিক ৪ শতাংশ, কয়লা ২৬ শতাংশ এবং প্রাকৃতিক গ্যাস ২৩ দশমিক ৫ শতাংশ।
আরও পড়ুনস্কুলছাত্রী হত্যা: কক্সবাজার থেকে কথিত প্রেমিক আটকহরমুজ প্রণালি, বাব আল-মান্দেব প্রণালি ও সুয়েজ খালে জাহাজ চলাচল আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। সংক্ষিপ্ত বিকল্প পথ না থাকায় জ্বালানিবাহী জাহাজগুলোকে আফ্রিকার উপকূল ঘুরে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। এতে বেড়েছে খরচ, বাড়ছে নিত্যপণ্যের দামও।
মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল দেশগুলো সবচেয়ে বেশি বিপাকে। ইরিত্রিয়া, মাদাগাস্কার, পাকিস্তান, জাপান ও কেনিয়া সরবরাহ ঘাটতি ও চড়া দামে সংকটে পড়েছে। কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এলএনজি আমদানি করা দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত, পাকিস্তান ও তাইওয়ানের জ্বালানি নিরাপত্তাও হুমকির মুখে।
পরিস্থিতি সামলাতে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও জাপান নিজেদের জরুরি মজুত থেকে তেল-গ্যাস ব্যবহার শুরু করেছে। তবে সেই মজুতও দ্রুত কমে আসছে।
তথ্যসূত্র: সমকাল, আলজাজিরা






