- শিক্ষামন্ত্রী জানান, দেশের প্রায় ২০০টি উচ্চ বিদ্যালয়ে আন্দোলন চলছে।
- প্রধানমন্ত্রী বিক্ষোভকে 'শহুরে সহিংসতার আন্দোলন' হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
- শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে ফ্রান্সে এক মাস ধরে চলা বিক্ষোভ এখনো অব্যাহত আছে।
- প্যারিসে এক মাসে ১ হাজার ২৬০ জন গ্রেপ্তার, যা ফ্রান্সের ইতিহাসে রেকর্ড।
- গ্রেপ্তারকৃতদের ৮৬ শতাংশই নাবালক।
- শিক্ষামন্ত্রী জানান, দেশের প্রায় ২০০টি উচ্চ বিদ্যালয়ে আন্দোলন চলছে।
- প্রধানমন্ত্রী বিক্ষোভকে 'শহুরে সহিংসতার আন্দোলন' হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে ফ্রান্সে এক মাস ধরে চলা বিক্ষোভ এখনো অব্যাহত আছে। এই আন্দোলনে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে রাজধানী প্যারিসে রেকর্ড ১ হাজার ২৬০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ফরাসি সংবাদমাধ্যম বিএফএমটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের ৮৬ শতাংশই নাবালক।
আরও পড়ুনবেন্ড স্কুলে ১৬ বছরের কিশোরের গুলি, তিন শিশুসহ নিহত ৫ফ্রান্সে আগে কোনো আন্দোলনে এত সংখ্যক গ্রেপ্তারের নজির নেই। শনিবার আন্দোলনকারীরা দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন। শিক্ষামন্ত্রী এদুয়ার্দ জেফ্রে জানিয়েছেন, সারা দেশে প্রায় ২০০টি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা এখনো আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু বলেছেন, এই বিক্ষোভ এখন আর কেবল শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি 'শহুরে সহিংসতার আন্দোলনে' রূপ নিয়েছে। তিনি রাজধানী প্যারিসসহ বেশ কিছু এলাকায় 'সহিংসতার উসকানি দেওয়ার মতো অত্যন্ত জঘন্য আহ্বান'-এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
লেকর্নু জানান, স্কুল ভবন সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে আঞ্চলিক পরিষদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তিনি বিক্ষোভের শেষ পর্যায়ে ঘটে যাওয়া সহিংস ঘটনাগুলোরও সমালোচনা করেন।
শিক্ষামন্ত্রী জেফ্রে জানান, সরকার ফ্রান্সের উচ্চশিক্ষায় ভর্তির প্ল্যাটফর্ম 'পারকুরসুপ'-এর মাধ্যমে পুরো ভর্তি প্রক্রিয়াটি পর্যালোচনা করছে এবং অক্টোবর মাসের শেষ নাগাদ এ বিষয়ে নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
গত বৃহস্পতিবার দক্ষিণ-পশ্চিম ফ্রান্সের গ্রাদিগনান বিভাগের একটি উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় তিনি বলেন, 'সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ঘনিয়ে আসছে, তবে আপাতত আমরা এ নিয়ে কাজ করছি।'
জেফ্রে আরও জানান, সরকার যে ৩ হাজার বিকল্প শিক্ষক নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার দুই-তৃতীয়াংশ ইতিমধ্যে বিভিন্ন স্কুলে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, গ্রাদিকনানে যেসব উচ্চ বিদ্যালয় বিশেষ সমস্যার সম্মুখীন বলে চিহ্নিত ছিল, তাদের সংখ্যা গত বৃহস্পতিবারের ১১৪টি থেকে কমে আজ ৪৭টিতে নেমে এসেছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, শরতের ছুটির পর যখন স্কুলগুলোতে ক্লাস শুরু হবে, তখন কোনো হাই স্কুল আর 'রেড জোন' বা ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় থাকবে না।
তথ্যসূত্র: ঢাকা পোস্ট






