- সাবেক ডিএমপি কমিশনার ফারুকের ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকার স্থাবর ও ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- ফারুক ও তার স্ত্রীর যৌথ মালিকানায় থাকা ১ কোটি ৫১ লাখ টাকার জমি ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টও জব্দ করা হচ্ছে।
- দুদকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ফারুকের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ ১ কোটি ২৭ লাখ টাকার বেশি, আর তার স্ত্রীর ক্ষেত্রে তা ৩ কোটি ৫ লাখ টাকার বেশি।
- ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত বুধবার দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন।
- সাবেক ডিএমপি কমিশনার ফারুকের ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকার স্থাবর ও ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- ফারুক ও তার স্ত্রীর যৌথ মালিকানায় থাকা ১ কোটি ৫১ লাখ টাকার জমি ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টও জব্দ করা হচ্ছে।
- দুদকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ফারুকের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ ১ কোটি ২৭ লাখ টাকার বেশি, আর তার স্ত্রীর ক্ষেত্রে তা ৩ কোটি ৫ লাখ টাকার বেশি।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক ও তার স্ত্রী শারমিন আক্তার খানের নামে থাকা স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক এবং অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আয়েশা আক্তার এই আদেশ দেন।
আরও পড়ুনপীরগঞ্জে নির্মাণাধীন ভবন ধসে নিহত ২ শ্রমিক, আহত ৩দুদকের আইনজীবী তরিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, খন্দকার গোলাম ফারুকের ১ কোটি ৩৩ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক এবং তার পাঁচটি ব্যাংক হিসাবে থাকা ১ কোটি ৩৫ লাখ ৭৭ হাজার টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া খন্দকার গোলাম ফারুক ও তার স্ত্রী শারমিন আক্তার খানের যৌথ নামে থাকা ১ কোটি ৫১ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক এবং দুটি ব্যাংক হিসাবে থাকা ১২ লাখ ২ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধের আদেশ দেওয়া হয়েছে। জব্দকৃত স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে ঢাকা ও টাঙ্গাইলের জমি ও প্লট রয়েছে।
দুদকের আবেদনে বলা হয়, ফারুক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে একজন কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। অনুসন্ধানকালে আয়কর নথি ও বিভিন্ন দপ্তরের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ফারুকের নামে দায়বাদে নিট সম্পদের মূল্য ৪ কোটি ১৩ লাখ ২৩ হাজার টাকা। বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় ২ কোটি ৮৫ লাখ ৪১ হাজার টাকা, অর্থাৎ আয়ের চেয়ে ১ কোটি ২৭ লাখ ৮২ হাজার টাকা বেশি সম্পদ রয়েছে।
একইভাবে শারমিন আক্তার খানের নামে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মোট মূল্য ৩ কোটি ৩০ লাখ ৩০ হাজার টাকা। বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় মাত্র ২৪ লাখ ৭৭ হাজার টাকা হওয়ায় আয়ের চেয়ে ৩ কোটি ৫ লাখ ৫৩ হাজার টাকা বেশি সম্পদ অর্জিত হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। দুদক জানায়, অনুসন্ধান চলাকালে সম্পদ হস্তান্তর বা গোপন করার সুযোগ বন্ধ করতেই এই আদেশ নেওয়া হয়েছে।
খন্দকার গোলাম ফারুক ২০২২ সালের ২২ অক্টোবর ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ডিএমপি কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পান। প্রায় এক বছর ওই পদে ছিলেন তিনি। এখন তার ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।
তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক, প্রথম আলো, চ্যানেল ২৪, বাংলা ট্রিবিউন






