- কেন এত ঝুঁকি নিচ্ছেন বাংলাদেশিরা? কালারস অব বাংলাদেশ।
- সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত পথ লিবিয়া হয়ে ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে ইতালি।
- এই বাংলাদেশিদের প্রায় তিরাশি শতাংশ নেমেছেন ইতালির উপকূলে।
দুই হাজার পঁচিশ সালে অনিয়মিত পথে ইউরোপে ঢুকেছেন চব্বিশ হাজারের বেশি বাংলাদেশি। আগের বছরের তুলনায় উনষাট শতাংশ বেশি। মৃত্যুর পথ ধরে ইউরোপ। কেন এত ঝুঁকি নিচ্ছেন বাংলাদেশিরা? কালারস অব বাংলাদেশ। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত পথ লিবিয়া হয়ে ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে ইতালি। এই বাংলাদেশিদের প্রায় তিরাশি শতাংশ নেমেছেন ইতালির উপকূলে। আরেকটি পথ বলকান অঞ্চল হয়ে। সার্বিয়া থেকে ইতালি পর্যন্ত পৌঁছে দিতে পাচারকারীরা একেকজনের কাছে নেয় চার থেকে ছয় হাজার ইউরো। আর পুরো যাত্রায় খরচ ছাড়িয়ে যায় দশ থেকে পনেরো লাখ টাকা।
আরও পড়ুনরেকর্ড রেমিট্যান্স, কিন্তু খরচ কেন বেশি | কালারস অব বাংলাদেশএই পথে ঝুঁকি ভয়াবহ। লিবিয়ায় আটকে মুক্তিপণ, নৌকাডুবিতে মৃত্যু, আর ইউরোপে পৌঁছেও আশ্রয় আবেদন বাতিল হয়ে ফেরত পাঠানোর ঝুঁকি। বৈধ পথও আছে। ইতালির মৌসুমি কাজের কোটা, বিভিন্ন দেশের দক্ষ কর্মী ভিসা, আর ছাত্র ভিসা। সময় আর প্রস্তুতি লাগে, কিন্তু জীবনের ঝুঁকি নেই। কোনো স্বপ্নই জীবনের চেয়ে দামি নয়। ভিডিওটি তাদের সাথে শেয়ার করুন, যারা এই পথের কথা ভাবছেন।
মূল তথ্য
- মৃত্যুর পথে ইউরোপ
- প্রধান পথগুলো
- যে ঝুঁকিগুলো কেউ বলে না: লিবিয়ায় আটক ও মুক্তিপণ, সাগরে নৌকাডুবি, আশ্রয় আবেদন বাতিল, ফেরত
- বিকল্প: বৈধ পথ: ইতালির মৌসুমি কাজের কোটা, দক্ষ কর্মী ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা
পুরো ভিডিও প্রতিবেদন দেখুন উপরের ভিডিওতে, অথবা কালারস অব বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেলে।
সূত্র: অনুসন্ধানী প্রতিবেদন · ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য; আইওএম · ইউএনএইচসিআর; ফ্রন্টেক্স; ফ্রন্টেক্স · আইওএম; ফ্রন্টেক্স, আইওএম; সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারি তথ্য






