- ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলা ও পাল্টা হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলে ডিজেল সরবরাহে বড় বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে।
- রাশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে ডিজেলের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
- ডিজেলের উচ্চমূল্য মূল্যস্ফীতি বাড়াবে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
- আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) জানিয়েছে, ডিজেলের সংকট ২০২৭ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
- ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলা ও পাল্টা হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলে ডিজেল সরবরাহে বড় বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে।
- রাশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে ডিজেলের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
- ডিজেলের উচ্চমূল্য মূল্যস্ফীতি বাড়াবে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) তাদের মাসিক জ্বালানি বাজারবিষয়ক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য ও রাশিয়ার সংঘাতের কারণে ডিজেলের সংকট ২০২৭ সাল পর্যন্ত বজায় থাকতে পারে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়।
আরও পড়ুনহুতি: পাহাড়ের গেরিলা থেকে লোহিত সাগরের যুদ্ধ, মাঝখানে প্রবাসী বাংলাদেশিপ্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলা ও পাল্টা হামলার প্রভাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে ডিজেল সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। চলতি বছরের গণ্ডি পেরিয়ে ২০২৭ সালের অনেকটা সময়জুড়েও এই সংকট অব্যাহত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আইইএ।
রাশিয়ার সঙ্গেও চলমান সংঘাত ডিজেলের উৎপাদন ব্যাহত করছে। এই দুই অঞ্চলের সরবরাহ শৃঙ্খলে ধাক্কা লাগায় বিশ্ববাজারে ডিজেলের দাম বাড়ছে।
আইইএ সতর্ক করেছে, ডিজেলের উচ্চমূল্য মূল্যস্ফীতি বাড়াবে। একইসঙ্গে এটি বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। জ্বালানি খরচ বেড়ে যাওয়ায় পরিবহন, কৃষি ও শিল্প খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, এই সংকট কাটিয়ে উঠতে বিকল্প জ্বালানি ও সাশ্রয়ী ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞরা। তবে স্বল্পমেয়াদে ডিজেলের দাম স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা কম।
বিশ্ববাজারে ডিজেলের এই সংকটের প্রভাব বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশেও পড়তে পারে। আমদানিনির্ভর দেশগুলোতে জ্বালানি ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তথ্যসূত্র: চ্যানেল ২৪, ইত্তেফাক






