- তিনি হাসপাতালে যেতে চাইলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক তার পালস ও রক্তচাপ স্বাভাবিক বলে জানান।
- রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক টিপুল কান্তি দে রক্তচাপ বেশি পাওয়ার কথা জানিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
- শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে উপাচার্য ভবনে প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ রয়েছেন উপাচার্যসহ ১১ জন।
- চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম বুকে ব্যথা অনুভব করছেন বলে জানিয়েছেন।
- তিনি হাসপাতালে যেতে চাইলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক তার পালস ও রক্তচাপ স্বাভাবিক বলে জানান।
- রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক টিপুল কান্তি দে রক্তচাপ বেশি পাওয়ার কথা জানিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
- শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে উপাচার্য ভবনে প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ রয়েছেন উপাচার্যসহ ১১ জন।
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম বুকে ব্যথা অনুভব করছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হাসপাতালে যেতে চান। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বেলা একটার দিকে উপাচার্য ভবনে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
আরও পড়ুনকুমিল্লায় মা বাজারে রেখে গেলেন দুই মেয়েকে, চিপস কিনে দেওয়ার কথা বলেউপাচার্যের অসুস্থতার খবরে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রের চিকিৎসক মো. শাহাবুদ্দিন তাকে পরীক্ষা করেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, উপাচার্যের পালস ও রক্তচাপ স্বাভাবিক (১২০/৮০) রয়েছে। তার মতে, উপাচার্যের কোনো শারীরিক অসুবিধা নেই এবং হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন নেই।
পরে বেলা দুইটার দিকে রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা টিপুল কান্তি দে উপাচার্যকে দেখতে যান। তিনি জানান, উপাচার্যের রক্তচাপ ১৫০/১০০ এবং তিনি বুকে ব্যথার কথা বলেছেন। এই চিকিৎসক হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেন।
গত সোমবার দুপুর ১২টার পর থেকে উপাচার্য ভবনের ফটকে তালা দিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। ভবনের পানি ও বিদ্যুৎ-সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এতে উপাচার্যসহ অন্তত ১১ জন ভবনের ভেতরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।
শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করছেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থী আবিদুর রহমান বলেন, তিনি পদত্যাগ করলেই তালা খুলে দেওয়া হবে। চুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মো. আহসানউল্লাহ জানান, তারা অসহযোগ কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।
প্রসঙ্গত, গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে অপসারণ করে শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর থেকে সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীরা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ এবং শিক্ষক-কর্মকর্তারা ‘কর্মবিরতি’ পালন করে আসছেন।
তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন, প্রথম আলো, ইত্তেফাক, চ্যানেল ২৪






