- আটককৃতরা হলেন সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা ও অজিঙ্ক শিন্ডে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করছিলেন তারা।
- যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই ঘটনা ঘটে।
- দিল্লির যন্তর মন্তরে তালাবদ্ধ গেট টপকে প্রবেশ করে আটক হন সিজেপির তিন নেতা।
- আটককৃতরা হলেন সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা ও অজিঙ্ক শিন্ডে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করছিলেন তারা।
- যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই ঘটনা ঘটে।
ভারতের রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে তালাবদ্ধ গেট টপকে প্রবেশ করায় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) তিন শীর্ষ নেতাকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর ২০২৬) সকালে এ ঘটনা ঘটে। আটককৃতরা হলেন সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস, জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা ও অজিঙ্ক শিন্ডে।
আরও পড়ুনইরান যুদ্ধে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বিপর্যয়আশুতোষ রাঙ্কা নিজের এক্স হ্যান্ডলে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন, যেখানে দেখা যায় তিনি, সৌরভ ও অজিঙ্ক যন্তর মন্তরের তালাবদ্ধ ফটক টপকে ভেতরে ঢুকছেন। সেখানে ঢুকে তারা জাতীয় পতাকা মেলে ধরেন। পরে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা তাদের বাধা দেন ও আটক করেন।
দিল্লি পুলিশের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, সৌরভ ও আশুতোষের সঙ্গে আরও অন্তত ১০ জন ছিলেন। তাদের কয়েকজন জাতীয় পতাকা নিয়ে যন্তর মন্তরে ঢুকে পড়তে সক্ষম হন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করতে তারা সেখানে গিয়েছিলেন। তাদের সবাইকে আটক করা হয়েছে।
ভিডিওতে আশুতোষ রাঙ্কা ও অন্যদের ‘ভারত মাতা কি জয়’ ও ‘জ্ঞানেশ কুমার ইস্তফা দো’ স্লোগান দিতে দেখা যায়। পরে এক্সে এক পোস্টে সৌরভ দাস জানান, তাদের জাফরপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তিনি আরও লেখেন, ‘আমরা এটি (যন্তর মন্তর) পুনরুদ্ধার করেছি।’
গত রোববার ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, দিল্লির যন্তর মন্তরে আর কাউকে বিক্ষোভ সমাবেশ বা ধরনায় বসতে দেওয়া হবে না। পরিবর্তে বিক্ষোভের জন্য তিনটি জায়গা ঠিক করে দেওয়া হয়েছে—পুরান দিল্লির রামলীলা ময়দান, উত্তর দিল্লির বুরারির মাঠ ও পূর্ব দিল্লির সেন্ট্রাল বিজনেস ডিস্ট্রিক্ট বা ‘সিবিডি’ ময়দান।
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে তাঁর এক্স অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, ‘জাতীয় পতাকা হাতে ককরোচরা আজ ভোরে যন্তর মন্তরে ঢুকে পড়েছিল। পরে দিল্লি পুলিশ তাদের আটক করে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আপনি (কোনো স্থানের) প্রতিরোধস্থলের মর্যাদা বাতিল করে দিতে পারেন না।’
চলতি বছরের জুন থেকে যন্তর মন্তর ভারতে শিক্ষার্থী ও তরুণদের নেতৃত্বে চলা প্রতিবাদ-বিক্ষোভের কেন্দ্র হয়ে ওঠে। এসব বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিচ্ছে অভিজিৎ দিপকের ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। ভর্তি পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে সিজেপির ডাকে গড়ে ওঠা বিক্ষোভের মুখে ভারতের সে সময়ের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
তথ্যসূত্র: চ্যানেল ২৪, প্রথম আলো, বাংলা ট্রিবিউন



