- নিহত তিন শিশুর বয়স ৫, ৮ ও ১১ বছর; আহত আরও এক শিশু ও ৫৪ বছর বয়সী এক শিক্ষক।
- হামলাকারী ১৬ বছর বয়সী স্থানীয় বাসিন্দা; তার কাছে একটি লম্বা বন্দুক ছিল।
- পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই হামলাকারীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
- বেন্ডের সিলভার রেইল এলিমেন্টারি স্কুলে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দুপুরে হামলা চালানো হয়।
- নিহত তিন শিশুর বয়স ৫, ৮ ও ১১ বছর; আহত আরও এক শিশু ও ৫৪ বছর বয়সী এক শিক্ষক।
- হামলাকারী ১৬ বছর বয়সী স্থানীয় বাসিন্দা; তার কাছে একটি লম্বা বন্দুক ছিল।
- পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই হামলাকারীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের অরেগন অঙ্গরাজ্যের বেন্ড শহরের সিলভার রেইল এলিমেন্টারি স্কুলে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরের এলোপাতাড়ি গুলিতে তিন শিশু ও একজন শিক্ষক নিহত হয়েছেন। ঘটনায় সন্দেহভাজন হামলাকারী কিশোরও নিহত হয়েছে।
আরও পড়ুনফ্রান্স বিক্ষোভ: প্যারিসে রেকর্ড ১ হাজার ২৬০ জন গ্রেপ্তারবৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) স্থানীয় সময় দুপুর একটার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, প্রথমে জরুরি সেবা নম্বরে এক ব্যক্তি ফোন করে জানান, এক ব্যক্তি তার গাড়িকে লক্ষ্য করে গুলি চালাচ্ছে। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই স্কুলের ভেতর থেকে একের পর এক ফোন আসতে থাকে।
বেন্ড পুলিশ প্রধান মাইক ক্রান্টজ এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, প্রথম ফোন পাওয়ার প্রায় তিন মিনিটের মধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়; ততক্ষণে স্কুলটি লকডাউন করা হয়েছিল। হামলাকারী স্কুলের তালাবদ্ধ দরজা লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে।
নিহত তিন শিশুর বয়স ৫, ৮ ও ১১ বছর। গুরুতর আহত সাত বছর বয়সী এক শিশু ও ৫৪ বছর বয়সী এক শিক্ষককে সেন্ট চার্লস বেন্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে মোট পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে—তিন শিশু, একজন শিক্ষক ও সন্দেহভাজন হামলাকারী।
পুলিশ প্রধান জানান, হামলাকারী ১৬ বছর বয়সী বেন্ড শহরেরই বাসিন্দা। তার কাছে একটি লম্বা বন্দুক ছিল; তবে কী ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে এবং কতগুলো গুলি ছোড়া হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত নয়। হামলাকারী ওই স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল কি না বা স্কুলের কাউকে চিনত কি না, সে বিষয়েও পুলিশ এখনো জানতে পারেনি।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে পৌঁছে তারা হামলাকারীকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মৃত দেখতে পান। পুলিশপ্রধান আরও বলেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক ব্যক্তি হামলাকারী কিশোরকে স্কুলে প্রবেশ করতে দেখেছিলেন। হামলার কারণ এবং পুরো ঘটনার নেপথ্য এখনো তদন্ত চলছে।
তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন, বিবিসি বাংলা, ইত্তেফাক, প্রথম আলো






