- পল্টনের শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমার্ধেই ২৪ গোল হজম করে স্বাগতিক দল।
- এই হার শুধু স্কোরবোর্ডের ব্যবধান নয়, দুই দলের প্রস্তুতি, গতি, শক্তি ও আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতার পার্থক্যও তুলে ধরেছে।
- বাংলাদেশের কোচ আনা আলোনসো খেলা শেষে বলেন, ‘আমরা তাদের চেয়ে অনেক দিক থেকেই পিছিয়ে।
- বাংলাদেশ ৪৭-১৩ গোলে হেরেছে ভারতের কাছে
- প্রথমার্ধেই ২৪ গোল হজম করে বাংলাদেশ
- ভারতের ভাওয়ানা একাই ১৩ গোল করে ম্যাচসেরা
- মালদ্বীপকে হারালে ফাইনালে আবারও ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ
বেগম খালেদা জিয়া নারী আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে আজ ভারতের কাছে ৪৭-১৩ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। পল্টনের শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমার্ধেই ২৪ গোল হজম করে স্বাগতিক দল। বিপরীতে বাংলাদেশের গোল ছিল মাত্র ৮টি।
আরও পড়ুননাহিদা আক্তার পেলেন টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব, নিগার সুলতানা জ্যোতির অভিনন্দনবিরতির পরও চিত্র বদলায়নি। শেষ পর্যন্ত ব্যবধান দাঁড়ায় ৪৭-১৩। এই হার শুধু স্কোরবোর্ডের ব্যবধান নয়, দুই দলের প্রস্তুতি, গতি, শক্তি ও আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতার পার্থক্যও তুলে ধরেছে।
বাংলাদেশের কোচ আনা আলোনসো খেলা শেষে বলেন, ‘আমরা তাদের চেয়ে অনেক দিক থেকেই পিছিয়ে। শারীরিক সক্ষমতা ও হ্যান্ডবলের দক্ষতায়ও পার্থক্য আছে।’ তাঁর মতে, এই ঘাটতি কয়েক মাসের ক্যাম্পে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়। খেলোয়াড়দের সারা বছর ফিটনেস ধরে রাখা ও নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
বাংলাদেশ গোলকিপার সুমাইয়া আক্তার ম্যাচ শেষে বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়মিত খেলার সুযোগ কমই পান বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা। ২০১৯ সালের এসএ গেমসের পর সিনিয়র পর্যায়ে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ তেমন আসেনি। তিনি মনে করেন, নিয়মিত টুর্নামেন্টে খেলতে পারলে ভারতের মতো দলের সঙ্গেও ব্যবধান কমানো সম্ভব।
টানা দুই জয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেছে ভারত। আজ দলটির হয়ে একাই ১৩ গোল করে ম্যাচসেরা হয়েছেন ভাওয়ানা। বাংলাদেশের সামনে অবশ্য ফাইনালে ওঠার সুযোগ এখনো আছে। আগামীকাল মালদ্বীপকে হারাতে পারলে ফাইনালে আবারও ভারতের মুখোমুখি হবে স্বাগতিকেরা।
নেপালকে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের কাছে বড় হারে স্বাভাবিকভাবেই হতাশ খেলোয়াড়েরা। কোচের মতে, এই ঘাটতি কাটাতে ক্যাম্পের বাইরেও খেলোয়াড়দের নিজেদের প্রস্তুত রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো, বাংলা ট্রিবিউন






