- সর্বোচ্চ আবেদন জমা পড়েছে নেত্রকোনায়—৫ হাজার ৩৫১টি।
- আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বাকি ৫৬ জেলায় আবেদন গ্রহণ চলবে।
- একজন উদ্যোক্তা সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পাবেন, যার মধ্যে ১০ লাখ ঋণ ও ১০ লাখ অনুদান।
- প্রথম ধাপে আট জেলার ৬৪টি উপজেলা থেকে ১৮ হাজার ৪৪৪টি আবেদন জমা পড়েছে।
- সর্বোচ্চ আবেদন জমা পড়েছে নেত্রকোনায়—৫ হাজার ৩৫১টি।
- আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বাকি ৫৬ জেলায় আবেদন গ্রহণ চলবে।
- একজন উদ্যোক্তা সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পাবেন, যার মধ্যে ১০ লাখ ঋণ ও ১০ লাখ অনুদান।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির প্রথম ধাপে আট জেলা থেকে ১৮ হাজার ৪৪৪টি আবেদন জমা পড়েছে। গত ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত আট বিভাগের আট জেলার ৬৪টি উপজেলা থেকে এসব আবেদন সংগ্রহ করা হয়। শনিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
আরও পড়ুনবাংলাদেশের টাকা কীভাবে ঘোরে: ব্যাংক, বিকাশ, ক্ষুদ্রঋণ ও রিজার্ভের পুরো ছবি‘উদ্যোগ: উপজেলাভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তা অনুসন্ধান, চিহ্নিতকরণ ও অর্থায়ন কর্মসূচি’র আওতায় আগ্রহী তরুণেরা সংশ্লিষ্ট উপজেলার তফসিলি ব্যাংকের শাখায় আবেদন করেন। জেলাভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে নেত্রকোনায়—৫ হাজার ৩৫১টি। এরপর রংপুরে ২ হাজার ৭৪৫টি, নওগাঁয় ২ হাজার ৪৫৬টি, ঝিনাইদহে ২ হাজার ১৯১টি, হবিগঞ্জে ১ হাজার ৫৫২টি, ভোলায় ১ হাজার ৫৪৫টি, মানিকগঞ্জে ১ হাজার ৩৪৩টি এবং ফেনীতে ১ হাজার ২৬১টি আবেদন জমা পড়েছে।
প্রাথমিক পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ শেষে আগামী ১ নভেম্বর থেকে দেশের বাকি ৫৬ জেলায় এ কার্যক্রম শুরু হবে। ১ থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ওই জেলার তরুণেরা নির্ধারিত ফরম পূরণ করে সংশ্লিষ্ট উপজেলার যেকোনো তফসিলি ব্যাংকের শাখায় আবেদন জমা দিতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট, এসএমই পোর্টাল ও তফসিলি ব্যাংকগুলোর নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফরম সংগ্রহ করা যাবে।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর সার্কুলারের মাধ্যমে এই কর্মসূচির নীতিমালা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। নীতিমালা অনুযায়ী, একজন উদ্যোক্তা সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকার অর্থায়ন সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা ঋণ এবং ঋণের সমপরিমাণ অর্থ অনুদান হিসেবে দেওয়ার বিধান রয়েছে। ঋণ ও অনুদানের অর্থ এককালীন দেওয়া হবে। তবে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে অনুদান হিসেবে পাওয়া অর্থও ঋণে রূপান্তরিত হবে। ফলে অনুদানের সুবিধা ধরে রাখতে উদ্যোক্তাকে ঋণের অংশ সম্পূর্ণ পরিশোধ করতে হবে।
কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, হস্তশিল্প, মৎস্য, পশুপালন, পর্যটন, সেবা, সৌরবিদ্যুৎ ও অন্যান্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি, হালকা প্রকৌশল এবং প্রযুক্তিভিত্তিক স্টার্টআপসহ অন্যান্য বৈধ ব্যবসা এই কর্মসূচির আওতায় আসবে। উপজেলা পর্যায়ে সম্ভাবনাময় তরুণ উদ্যোক্তাদের চিহ্নিত করে নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠা ও বিদ্যমান উদ্যোগ সম্প্রসারণে অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করা এই কর্মসূচির লক্ষ্য। এর মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে আবেদনকারীদের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে কতজন নির্বাচিত হবেন এবং কতজন অর্থায়ন পাবেন, তা এখনো নির্ধারিত হয়নি।
তথ্যসূত্র: চ্যানেল ২৪, আজকের পত্রিকা




