- বায়ার্ন মিউনিখের হ্যারি কেইন ২০২৫-২৬ মৌসুমে সব প্রতিযোগিতায় ৭৩ গোল করেছেন।
- মাইকেল ওলিসে ৫৩ ম্যাচে ২০ গোল ও ৩২ অ্যাসিস্ট করেছেন।
- আগামী ২৬ অক্টোবর ঘোষণা করা হবে ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ীর নাম।
- শনিবার (২৪ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে এগিয়ে থাকা ১০ ফুটবলারের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
- সংক্ষিপ্ত তালিকায় আছেন ৩০ জন। উসমান দেম্বেলে ও লিওনেল মেসিও আছেন।
- বায়ার্ন মিউনিখের হ্যারি কেইন ২০২৫-২৬ মৌসুমে সব প্রতিযোগিতায় ৭৩ গোল করেছেন।
- মাইকেল ওলিসে ৫৩ ম্যাচে ২০ গোল ও ৩২ অ্যাসিস্ট করেছেন।
আগামী ২৬ অক্টোবর ঘোষণা করা হবে ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ীর নাম। ফুটবলে ব্যক্তিগত অর্জনের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কারের জন্য ৩০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। গতবারের জয়ী উসমান দেম্বেলে ও কিংবদন্তি লিওনেল মেসিও তালিকায় থাকলেও এবার দৌড়ে এগিয়ে আছেন অন্য কয়েকজন।
আরও পড়ুনস্টিভ স্মিথ টেস্ট ক্রিকেটে ১১ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁলেনবায়ার্ন মিউনিখের হ্যারি কেইনকে এবারের ব্যালন ডি’অরের সবচেয়ে বড় দাবিদার মনে করা হচ্ছে। বুন্দেসলিগা, চ্যাম্পিয়নস লিগ ও বিশ্বকাপ মিলিয়ে তিনি করেছেন ৫৬ গোল ও ৮ অ্যাসিস্ট। অন্য প্রতিযোগিতা মিলিয়ে মোট ৬৫ ম্যাচে তাঁর গোলসংখ্যা ৭৩টি, অর্থাৎ প্রতি ম্যাচে গড়ে একের বেশি গোল করেছেন তিনি। চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট পর্বের ৫ ম্যাচে ৬ গোল ও ডিএফবি-পোকাল ফাইনালে হ্যাটট্রিক করেছেন কেইন। বিশ্বকাপেও ডিআর কঙ্গো ও মেক্সিকোর বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
তবে কেইনের প্রতিদ্বন্দ্বী কম নন। একই ক্লাবের মাইকেল ওলিসেও বড় দাবিদার। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের খেলোয়াড়দের মধ্যে পেনাল্টি বাদ দিয়ে গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখা এই ফরাসি ফরোয়ার্ড লিগ, চ্যাম্পিয়নস লিগ ও বিশ্বকাপ মিলিয়ে ৫৩ ম্যাচে করেছেন ২০ গোল ও ৩২ অ্যাসিস্ট। বিশ্বকাপে ৭ অ্যাসিস্ট করে এক আসরে সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্টের রেকর্ড গড়েছেন তিনি। উত্তর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে হ্যাটট্রিকও করেছেন ওলিসে।
বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালকেও এগিয়ে রাখা হচ্ছে। ৯ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত দ্য অ্যাথলেটিকের র্যাঙ্কিংয়ে ইয়ামাল সপ্তম স্থানে থাকলেও সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের কারণে তিনি উঠে এসেছেন তৃতীয় স্থানে। বাজির বাজারেও ইয়ামালকে এগিয়ে রাখা হয়েছে, যার কারণ পুরস্কার ঘোষণার আগের সময়ের খেলায় তার প্রভাব। ব্যালন ডি’অরের বিচারে সময়সীমা গত বছরের আগস্ট থেকে এ বছরের জুলাই পর্যন্ত হলেও নতুন মৌসুমের পারফরম্যান্সও ভোটারদের মনে প্রভাব ফেলে।
ব্যালন ডি’অরজয়ী নির্বাচন করেন ১০০ জন সাংবাদিক। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স, দলের সাফল্যে খেলোয়াড়ের অবদান, জেতা শিরোপা এবং মাঠে ও মাঠের বাইরে আচরণ বিবেচনায় নেওয়া হয়। পুরস্কারটি বিচারকদের ব্যক্তিগত মূল্যায়নের ওপর নির্ভরশীল, তাই বিতর্ক থাকেই। লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মতো বারবার জয়ীদের ক্যারিয়ার শেষের দিকে থাকায় নতুন প্রজন্মের কেউ এবার তাদের কাতারে জায়গা করে নিতে পারেন কি না, সেটাও দেখার বিষয়।
হ্যারি কেইনের বয়স এখন ৩৩। পুরো মৌসুমে ধারাবাহিকভাবে গোল করা ও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পারফরম্যান্স তাকে শীর্ষে রেখেছে। তবে চ্যাম্পিয়নস লিগ ও বিশ্বকাপের শেষ দিকে দলের ব্যর্থতা তার জয়ের সম্ভাবনায় প্রভাব ফেলতে পারে। নতুন মৌসুমেও কেইনের গোল করার গতি কমেনি; বায়ার্নের হয়ে ১০ ম্যাচে ৯ গোল ও ইংল্যান্ডের হয়ে নেশনস লিগের ৪ ম্যাচে ৬ গোল করেছেন। এবার ব্যালন ডি’অর জিততে না পারলে তার আর কখনো সুযোগ আসবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো, জাগো নিউজ






