· মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ · ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ·
নিউজ →
জয়নুল আবেদিন
চলচ্চিত্র ও শিল্পকলা

জয়নুল আবেদিন

Zainul Abedin

১৯১৪ — ১৯৭৬৬২ বছরের জীবন

বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী

এক নজরে
  • জয়নুল আবেদিন (২৯ ডিসেম্বর ১৯১৪ – ২৮ মে ১৯৭৬), যিনি শিল্পাচার্য নামেও পরিচিত, ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী।
  • ১৯৪৪ সালে বাংলার দুর্ভিক্ষের ওপর আঁকা চিত্রমালার মাধ্যমে তিনি বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন।
  • ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে চলে আসেন।
১৯১৪জন্ম, কিশোরগঞ্জ জেলা১৯৭৬মৃত্যু, ঢাকা

জয়নুল আবেদিন (২৯ ডিসেম্বর ১৯১৪ – ২৮ মে ১৯৭৬), যিনি শিল্পাচার্য নামেও পরিচিত, ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী। ১৯৪৪ সালে বাংলার দুর্ভিক্ষের ওপর আঁকা চিত্রমালার মাধ্যমে তিনি বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে চলে আসেন। ১৯৪৮ সালে তিনি ঢাকায় ‘গভর্নমেন্ট ইনস্টিটিউট অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফটস’ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ। তিনি ছিলেন এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ।

বাংলার দুর্ভিক্ষ নিয়ে আঁকা তার চিত্রমালা তার সবচেয়ে পরিচিত কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম। ১৯৪৩ সালের বাংলার দুর্ভিক্ষের ওপর তার আঁকা চিত্রগুলোকে তার শিল্পকর্মের অন্যতম বৈশিষ্ট্যপূর্ণ কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস তাঁকে কিংবদন্তিতুল্য বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী ও আন্দোলনকর্মী হিসেবে উল্লেখ করেছে।

বাংলাদেশের আধুনিক শিল্প আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে জয়নুল আবেদিনকে বাংলাদেশের আধুনিক শিল্পকলার প্রতিষ্ঠাতা ব্যক্তিত্বদের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। শিল্পসমালোচক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম তাকে বাংলাদেশের আধুনিক শিল্পকলার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বাংলাদেশে তার শিল্পীসত্তা ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে শিল্পাচার্য উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে লন্ডনে সদেবি'স আয়োজিত আধুনিক ও সমকালীন দক্ষিণ এশীয় শিল্পের নিলামে জয়নুল আবেদিনের ১৯৭০ সালের Untitled চিত্রকর্মটি ৬৯২,০৪৮ মার্কিন ডলারে বিক্রি হয়। এটি নিলামে বিক্রি হওয়া কোনো বাংলাদেশি শিল্পকর্মের সর্বোচ্চ মূল্য। একই বছরের মার্চে নিউইয়র্কে সদেবি'স-এর নিলামে তাঁর ১৯৬৩ সালের Santal Couples চিত্রকর্মটি ৩৮১,০০০ মার্কিন ডলারে বিক্রি হয়।

প্রারম্ভিক জীবন ও শিক্ষাজীবন

জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ মহকুমার কেন্দুয়ায় (বর্তমানে নেত্রকোনা) জন্মগ্রহণ করেন। তার শিল্পীজীবনে ব্রহ্মপুত্র নদ গুরুত্বপূর্ণ প্রেরণার উৎস হয়ে ওঠে। নদী ও এর আশপাশের দৃশ্য নিয়ে তার আঁকা জলরঙের ছবির একটি সিরিজ ১৯৩৮ সালে সর্বভারতীয় এক প্রদর্শনীতে গভর্নরের স্বর্ণপদক লাভ করে। এই পুরস্কার তাকে বিশেষ পরিচিতি এনে দেয় এবং নিজস্ব শিল্পরীতি গড়ে তোলার আত্মবিশ্বাস জোগায়।

১৯৩৩ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্ট-এ ভর্তি হন। সেখানে পাঁচ বছর ধরে ব্রিটিশ ও ইউরোপীয় ধারার প্রাতিষ্ঠানিক শিল্পরীতি শেখেন। পড়াশোনা শেষ করার পর তিনি একই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। প্রতিষ্ঠানটি থেকে প্রথম শ্রেণিতে বিশেষ কৃতিত্ব নিয়ে উত্তীর্ণ হওয়া প্রথম মুসলিম শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি।

ইউরোপীয় একাডেমিক শিল্পরীতির সীমাবদ্ধতা এবং প্রাচ্য শিল্পরীতির প্রতি অসন্তুষ্টি তাকে বাস্তবধর্মী শিল্পচর্চার দিকে নিয়ে যায়। ১৯৪৮ সালে কয়েকজন সহকর্মীর সহযোগিতায় তিনি ঢাকায় একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। সে সময় ঢাকায় কোনো শিল্পশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল না। প্রতিষ্ঠার পর অল্প সময়ের মধ্যেই এটি পাকিস্তানের অন্যতম প্রধান শিল্পশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। জয়নুল আবেদিন কিছু সময় পাকিস্তান সরকারের অধীনেও কাজ করেন।

তিনি ওই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতাও করেন। তার শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাকিস্তানি শিল্পী মনসুর রাহি ছিলেন। বাংলাদেশি শিল্পীদের মধ্যে মনিরুল ইসলাম এবং মোহাম্মদ কিবরিয়া তার শিক্ষার্থীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য।

লন্ডনের স্লেড স্কুল অব ফাইন আর্ট-এ দুই বছরের প্রশিক্ষণ শেষে জয়নুল আবেদিন নতুন ধরনের শিল্পরীতির দিকে অগ্রসর হন, যা পরে ‘বাংলা রীতি’ নামে পরিচিত হয়। এই ধারায় লোকশিল্পের জ্যামিতিক আকৃতি, কখনো আধা-বিমূর্ত উপস্থাপন এবং মৌলিক রঙের ব্যবহার দেখা যায়। পরে লোকশিল্পের সীমাবদ্ধতা উপলব্ধি করে তিনি প্রকৃতি, গ্রামীণ জীবন ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সংগ্রামের দিকে ফিরে যান। তার লক্ষ্য ছিল এমন শিল্প সৃষ্টি করা, যা বিষয়বস্তুর দিক থেকে বাস্তবধর্মী হলেও প্রকাশভঙ্গিতে আধুনিক।

কর্মজীবন

১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ শাসিত ভারতবর্ষ বিভক্ত হয়ে দুটি দেশের সৃষ্টি হয় যথা ভারত ও পাকিস্তান। পূর্ববঙ্গ নতুন নাম লাভ করে পূর্ব পাকিস্তান যা পরবর্তীকালে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ নামে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। পূর্ববঙ্গের প্রথম প্রজন্মের শিল্পীদের পুরোধা ব্যক্তিত্ব জয়নুল আবেদিন। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ভারতবিভাগের পর পূর্ব পাকিস্তানে একটি চিত্রকলা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন অনুভূত হয়। জয়নুল আবেদিনের উদ্যোগে ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে পুরান ঢাকার জনসন রোডের ন্যাশনাল মেডিকেল স্কুলের একটি জীর্ণ কক্ষে গভর্নমেন্ট আর্ট ইন্সটিটিউট স্থাপিত হয়। সূচনায় এর ছাত্র সংখ্যা ছিল মাত্র ১৮। জয়নুল আবেদিন ছিলেন এ প্রতিষ্ঠানের প্রথম শিক্ষক। ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দে এই আর্ট ইন্সটিটিউট সেগুনবাগিচার একটি বাড়িতে স্থানান্তরিত হয়। ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দে আর্ট ইন্সটিটিউটটি শাহবাগে স্থানান্তরিত হয়। ১৯৬৩ খ্রিস্টাব্দে এটি একটি প্রথম শ্রেণির সরকারি কলেজ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে এবং এর নাম হয় পূর্ব পাকিস্তান চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়। ১৯৭১-এ বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের পর একই প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘বাংলাদেশ চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়’। তিনি ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

জয়নুল আবেদিনের আগ্রহে ও পরিকল্পনায় সরকার ১৯৭৫-এ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে লোকশিল্প জাদুঘর ও ময়মনসিংহে জয়নুল সংগ্রহশালা প্রতিষ্ঠা করে।

চিত্রকর্ম

জয়নুল আবেদিন ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দের দুর্ভিক্ষ চিত্রমালার জন্য বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন। এ ছাড়াও তার বিখ্যাত শিল্পকর্মগুলো হল: ১৯৫৭-এ নৌকা, ১৯৫৯-এ সংগ্রাম, ১৯৭১-এ বীর মুক্তিযোদ্ধা, ম্যাডোনা প্রভৃ‌তি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তার দীর্ঘ দুটি স্ক্রল ১৯৬৯-এ অঙ্কিত ‘নবান্ন’ এবং ১৯৭৪-এ অঙ্কিত ‘মনপুরা-৭০’ জননন্দিত দুটি শিল্পকর্ম। তিনি চিত্রাঙ্কনের চেয়ে চিত্রশিক্ষা প্রসারের ওপর অনেক বেশি সময় ব্যয় করেছেন। অনুমান করা হয় তার চিত্রকর্মের সংখ্যা তিন হাজারের বেশি।

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে সংগৃহীত তার শিল্পকর্মের সংখ্যা ৮০৭। বেঙ্গল ফাউন্ডেশানের সংগ্রহে আরও প্রায় পাঁচশত চিত্রকর্ম সংরক্ষিত আছে। তার পরিবারের কাছে এখনও চার শতাধিক চিত্রকর্ম সংরক্ষিত। ময়মনসিংহের সংগ্রহশালায় রক্ষিত চিত্রকর্মের সংখ্যা ৬২। এছাড়া পাকিস্তানের বিভিন্ন সংগ্রহশালায় তার বিপুল পরিমাণ চিত্রকর্ম সংরক্ষিত আছে।

ব্যক্তিগত জীবন

জয়নুল আবেদিন জাহানারা আবেদিনকে বিয়ে করেন। তাদের তিন ছেলে ছিল। তিন ছেলের মধ্যে মাইনুল আবেদিন ছিলেন কনিষ্ঠ। জাহানারা আবেদিন ২০২৫ সালের ২৪ এপ্রিল ৯৪ বছর বয়সে মারা যান।

কিংবদন্তি

পূর্ববঙ্গ তথা বাংলাদেশে শিল্পশিক্ষার প্রসার ও আধুনিক চিত্রকলার বিকাশে জয়নুল আবেদিনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণে তিনি ‘শিল্পাচার্য’ নামে পরিচিতি লাভ করেন। বাংলাদেশে আধুনিক চিত্রকলার বিকাশে তার অবদান তাকে দেশের শিল্পীদের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।

তার নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে দুটি গ্যালারি রয়েছে। ২০১৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের ৩৫ নম্বর গ্যালারিটি ‘শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন গ্যালারি’ হিসেবে সাজানো হয়।

জয়নুল আবেদিনের নামে বুধ গ্রহের একটি জ্বালামুখের নাম ‘আবেদীন জ্বালামুখ’ রাখা হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়ন ২০০৯ সালে তার নামানুসারে জ্বালামুখটির নামকরণ করে।

প্রতি বছর তার জন্মদিন উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে তার স্মরণে আয়োজন করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ উপলক্ষে উৎসব এবং শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালায় শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

তার আঁকা স্কেচ ও অন্যান্য শিল্পকর্ম আন্তর্জাতিক নিলামেও বিক্রি হয়েছে। ২০১৫ সালে লন্ডনে বনহামসের একটি নিলামে তার একটি স্কেচ বিক্রি হয়।

১৯৫৮ সালে তিনি তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের হিলাল-ই-ইমতিয়াজ খেতাব লাভ করেন। ১৯৬৮ সালে ঢাকা আর্ট কলেজের শিক্ষার্থীরা তাকে ‘শিল্পাচার্য’ উপাধিতে ভূষিত করেন। ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে সম্মানিত করে।

২০১৯ সালে জয়নুল আবেদিনের ১০৫তম জন্মদিন উপলক্ষে গুগল তার সম্মানে একটি গুগল ডুডল প্রকাশ করে।

পুরস্কার

১৯৫৮ সালে পাকিস্তান সরকার কর্তৃক প্রাইড অফ পারফরম্যান্স পুরস্কার প্রদান করেন চিত্রাঙ্কন এ উল্লেখযোগ্য অবদান এর জন্য। বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৭৭ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করেন।

মৃত্যু

জয়নুল আবেদিন ১৯৭৬ সালের ২৮ মে মৃত্যুবরণ করেন | তিনি যখন মৃত্যুবরণ করেন তখন তার বয়স ছিল ৬১ বছর বয়স। চারুকলা ইনস্টিটিউটে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়। তার আঁকা শেষ ছবি- " দুই মুখ"।

চিত্রকর্ম বিক্রিতে রেকর্ড

আবেদিনের একটি চিত্রকর্ম ৬ লাখ ৯২ হাজার ৪৮ ডলার রেকর্ডমূল্যে বিক্রি হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অর্থ প্রায় ৮ কোটি ২৫ লাখ টাকা। কোনো বাংলাদেশি শিল্পীর চিত্রকর্মের দামের দিক থেকে এটি একটি রেকর্ড। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ নিউ ইয়র্কের নিলাম সংস্থা সদেবি'স চিত্রকর্মটি নিলামে তোলে। সেখানেই ছবিটি বিক্রি হয়। এটি জয়নুলের ‘মনপুরা ৭০’ সিরিজের একটি কাজ।

এর আগে নিউইয়র্কে ১৮ মার্চ ২০২৪ তারিখে এক নিলামে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের দুইটি চিত্রকর্ম রেকর্ড দামে বিক্রি হয়েছে। ‘সাঁওতাল দম্পতি’ নামের একটি চিত্রকর্ম তিন লাখ ৮১ হাজার মার্কিন ডলারে বিক্রি হয়েছে, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা চার কোটি ১৭ লাখ সাড়ে ছয় হাজার টাকা। দ্বিতীয় পেইন্টিংটি বিক্রি হয় দুই লাখ ৭৯ হাজার ৪০০ মার্কিন ডলার বা তিন কোটি ছয় লাখ টাকার কিছু বেশি। ২০১৮ সালে নিউইয়র্কে জয়নুল আবেদিনের সাঁওতাল সিরিজের আরেকটি চিত্রকর্ম নিলামে বাংলাদেশি মুদ্রায় দেড় কোটি টাকায় বিক্রি হয়।

পুরস্কার ও সম্মাননা

🏅 স্বাধীনতা পুরস্কার🏅 তমঘা-ই হাসিন কারকারদেগি🏅 বাংলা একাডেমি ফেলোশিপ
গল্পটা ভালো লাগলে শেয়ার করুন